নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেছেন, শিল্পাঞ্চল হওয়ায় নারায়ণগঞ্জে অপরাধ ও অপরাধ প্রবণতা তুলনামূলক বেশি। এ অবস্থায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সকলকে সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
রোববার (২৪ মে) দুপুর ২টায় নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, চাষাঢ়া থেকে থানা এলাকা পর্যন্ত সব ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে হবে। বিশেষ করে কিশোর গ্যাং, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম বন্ধে থানাগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ডিসি আরও বলেন, আসন্ন ঈদকে ঘিরে গরুর হাট, গার্মেন্টস এলাকা এবং নদীপথে পশু পরিবহনের সময় কোনো ধরনের চাঁদাবাজি যেন না ঘটে সে বিষয়ে প্রশাসন নজরদারি জোরদার করছে। একই সঙ্গে জাল টাকা ও মহাসড়কের নিরাপত্তা নিয়েও বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
ঈদের সময় যারা বাসা ছেড়ে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছেন, তাদের বাসাবাড়ি নিরাপদ রাখতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান। নারায়ণগঞ্জবাসীর প্রত্যাশিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন কাজ করছে বলে মন্তব্য করেন জেলা প্রশাসক।
এর আগে সদর মডেল থানায় পৌঁছালে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাজেদুর রহমানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা। পরে তিনি গার্ড অব অনার গ্রহণ করেন এবং থানার মালখানা, হাজতখানাসহ বিভিন্ন অংশ পরিদর্শন করেন। এ সময় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম ফয়েজউদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

রোববার, ২৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেছেন, শিল্পাঞ্চল হওয়ায় নারায়ণগঞ্জে অপরাধ ও অপরাধ প্রবণতা তুলনামূলক বেশি। এ অবস্থায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সকলকে সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
রোববার (২৪ মে) দুপুর ২টায় নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, চাষাঢ়া থেকে থানা এলাকা পর্যন্ত সব ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে হবে। বিশেষ করে কিশোর গ্যাং, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম বন্ধে থানাগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ডিসি আরও বলেন, আসন্ন ঈদকে ঘিরে গরুর হাট, গার্মেন্টস এলাকা এবং নদীপথে পশু পরিবহনের সময় কোনো ধরনের চাঁদাবাজি যেন না ঘটে সে বিষয়ে প্রশাসন নজরদারি জোরদার করছে। একই সঙ্গে জাল টাকা ও মহাসড়কের নিরাপত্তা নিয়েও বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
ঈদের সময় যারা বাসা ছেড়ে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছেন, তাদের বাসাবাড়ি নিরাপদ রাখতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান। নারায়ণগঞ্জবাসীর প্রত্যাশিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন কাজ করছে বলে মন্তব্য করেন জেলা প্রশাসক।
এর আগে সদর মডেল থানায় পৌঁছালে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাজেদুর রহমানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা। পরে তিনি গার্ড অব অনার গ্রহণ করেন এবং থানার মালখানা, হাজতখানাসহ বিভিন্ন অংশ পরিদর্শন করেন। এ সময় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম ফয়েজউদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন