প্রিন্ট এর তারিখ : ১০ মে ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের প্রবীণ সাংবাদিক শ্যামলের বাসায় মবের মাধ্যমে হামলা ও হত্যার অপচেষ্টা
নিজস্ব প্রতিবেদক ||
প্রবীণ সাংবাদিক নারায়ণগঞ্জ এডিটরস ক্লাবের সভাপতির বাসায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে শনিবার (৯ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় এলাকাস্থ আশরাফ উদ্দীন এর মেয়ে শীর্ষ মাদক সম্রাজ্ঞী হিসেবে খ্যাত আইরিন সুলতানা ওরফে সাথি বহু মামলার আসামী ও তার স্বামী বন্দরের শীর্ষ ডাকাত দলের সদস্য ও মুছাপুর ইউনিয়ন ৬ নং ওয়ার্ডের মেম্বার মনোয়ার হোসেন কে হত্যার উদ্দেশ্যে রক্তাক্ত জখমের মামলার ৯ নং আসামী মোঃ ফারুক সহ আইরিন সুলতানার পরিবারের সদস্য ও অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসী সমেদ সংঘবদ্ধ হয়ে নারায়ণগঞ্জ এর প্রবীন সাংবাদিক শ্যামলের বাসায় অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে গুম, খুন, শিশু অপহরণের চেষ্টা, শ্লীলতাহানি সহ মব সৃষ্টি করার লক্ষ্যে অতর্কিত ভাবে শ্যামলের একমাত্র কন্যা ও শিশু নাতনী বয়স ১৪ মাস এবং ঘরে থাকা সাংবাদিক শ্যামলের ঘরের কাজের মানুষ ও তার কন্যার সামনে হত্যার হুমকি দেয় এবং টেনে হিচড়ে ঘর থেকে বের করে নেওয়ার অপচেষ্টা করে। ঘরের কাজের মানুষ থাকাতে বিবাদীদের হীন কর্মকান্ড করতে বাধাগ্রস্ত হয়। উল্লেখ্য যে, সাংবাদিক শ্যামল তার স্ত্রী ও এক নাতনী কে নিয়ে নারায়ণগঞ্জ এর বরফকলস্থ চৌরঙ্গী পার্কের কমিউনিটি সেন্টারে পূর্ব নির্ধারিত দাওয়াত রক্ষার জন্য গেলে বিবাদীরা সাংবাদিক শ্যামলের অনুপুস্থির সুযোগ নিয়ে অভিযোগে উল্লেখিত বিবাদী গন সমেদ অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জন সংঘবদ্ধ হয়ে শ্যামলের বাসায় হামলা করলে সাংবাদিক শ্যামলের কন্যা মোবাইলে তার পিতাকে অবহিত করলে সাংবাদিক শ্যামল ও তার স্ত্রী দাওয়াত রক্ষা না করে তার বাসস্থানে ফেরত আসে। এবং পথিমধ্যে বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ কে মোবাইলে বিষয়টি জানাইলে অফিসার ইনচার্জ তড়িৎ গতিতে ঘটনাস্থলে পুলিশ টিম পাঠায়। এদিকে সাংবাদিক শ্যামলের বাসায় সিসি ক্যামেরা থাকায়, পুলিশ আসার কথা শুনে শ্যামলের কন্যার ডাক-চিৎকারে আশে পাশের লোকজন জমায়েত এর বিষয় টের পেয়ে বিবাদী গন ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এবং প্রকাশ্যে রাস্তায় গালাগালি গুম, খুন, শিশু অপহরণ সহ রাস্তাঘাটে বাহির হইলে হেনস্তা সহ হত্যার হুমকি দিতে দিতে চলে যায়। এবং পুলিশ আসিলে তদন্ত সাপেক্ষে ঘটনার সত্যতা পায়। পরে সাংবাদিক শ্যামল এ বিষয়ে বন্দর থানায় উপস্থিত হয়ে ৮ জন ও অজ্ঞাতনামা ১০ জনকে বিবাদী করে মামলার লক্ষ্যে অভিযোগ দায়ের করেন। আরো উল্লেখ্য যে, গত ৫ মে বিবাদীদের ধারাবাহিক অপরাধ সংক্রান্ত বিষয়ে পুলিশ সুপারের কাছে বরাবরে অভিযোগ দায়ের করিলে পুলিশ সুপার এর নির্দেশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাসমিন আক্তার দায়েরকৃত অভিযোগ অনুধাবন করে অফিসার ইনচার্জ বন্দর কে দ্রুত আইনী ব্যবস্থার নির্দেশ দেন। কিন্তু দুর্ভাগ্য হলেও সত্য যে অভিযোগের তিন দিন পার হতে না হতে পুনরায় গতকাল আবার বিবাদী রা শ্যামলের বাসায় হামলা করেন। এলাকাবাসী সংখ্যালঘু সাংবাদিক ও তার পরিবারের সদস্য দের প্রতি এই হীন কর্মকান্ড ও জীবন বাঁচানোর লক্ষ্যে দ্রুত পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: আরিফুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বি পি নিউজ