প্রিন্ট এর তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬
শহরের রেটে কৃষিজমি, সমাধানে এমপি আল আমিনের হস্তক্ষেপ চায় বক্তাবলী-আলীরটেকবাসী
||
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বক্তাবলী ও আলীরটেক ইউনিয়নে কৃষিজমির রেজিস্ট্রি মূল্য শহরাঞ্চলের হারে নির্ধারণ করায় জমি কেনাবেচায় কার্যত স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। এতে স্থানীয় কৃষক ও ভূমির মালিকরা চরম অসন্তোষ ও ভোগান্তির মধ্যে পড়েছেন।স্থানীয় সূত্র জানায়, এই দুই ইউনিয়নের বেশিরভাগ জমি এখনো কৃষিকাজে ব্যবহৃত হলেও সরকারি নির্ধারিত মূল্য কাঠামোর কারণে রেজিস্ট্রি খরচ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। ফলে অনেকেই প্রয়োজন থাকা সত্ত্বেও জমি ক্রয়-বিক্রয় করতে পারছেন না।বর্তমান বাজারদরের তুলনায় রেজিস্ট্রির ভিত্তিমূল্য বেশি হওয়ায় কর ও ফি বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ কৃষক ও মধ্যবিত্ত শ্রেণি সবচেয়ে বেশি চাপের মুখে পড়েছে। এতে জমির লেনদেন প্রায় বন্ধ হওয়ার মতো অবস্থায় পৌঁছেছে বলে স্থানীয়দের দাবি।বাসিন্দারা বলছেন, কৃষিপ্রধান এলাকায় বাস্তবতা বিবেচনা না করে এমন মূল্য নির্ধারণের কারণে দীর্ঘদিনের স্বাভাবিক জমি বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। একসময় যেখানে নিয়মিত লেনদেন হতো, এখন সেখানে দলিল নিবন্ধন কমে গেছে।স্থানীয়দের মতে, জমি বিক্রি অনেক পরিবারের চিকিৎসা, শিক্ষা ও জীবিকা নির্বাহের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম ছিল। কিন্তু অতিরিক্ত খরচের কারণে সেই সুযোগও সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে।বিশ্লেষকদের ধারণা, এ ধরনের পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে শুধু ব্যক্তি নয়, স্থানীয় অর্থনীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।এলাকাবাসীর দাবি, কৃষিজমির প্রকৃতি ও বাস্তব বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে নতুন করে মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা জরুরি। এ বিষয়ে তারা স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ আল আমিনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।তাদের ভাষ্য, কর ও রেজিস্ট্রি ফি দিতে আপত্তি নেই, তবে তা অবশ্যই বাস্তবসম্মত হওয়া উচিত।
সম্পাদক ও প্রকাশক: আরিফুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বি পি নিউজ