প্রিন্ট এর তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অয়ন ওসমানের গুলিতে স্বজন নিহতের দাবি, ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিলেন মামুন
||
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে নারায়ণগঞ্জে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ সাক্ষ্য দিয়েছেন এন আর বি মামুন। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) জবানবন্দিতে তিনি অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট চাষাঢ়া এলাকায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ধাওয়ার সময় একটি বেসরকারি হাসপাতালের গলিতে আশ্রয় নেওয়ার মুহূর্তে শামীম ওসমানের ছেলে অয়ন ওসমানের গুলিতে তার পাশে থাকা আন্দোলনকারী স্বজন আহত হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৬ আগস্ট তার মৃত্যু হয়।জবানবন্দিতে এন আর বি মামুন জানান, তিনি যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তিনি তার স্বজন হত্যার ঘটনায় জড়িতদের বিচার দাবি করেন।তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের ২১ জুলাই সকালে সাইনবোর্ড এলাকা থেকে চিটাগং রোডের দিকে যাওয়ার পথে একটি হাসপাতালের সামনে অবস্থানকালে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। তার অভিযোগ, শামীম ওসমান, শাহ নিজাম, ফাইজুল ইসলাম, কমিশনার রুহুলসহ প্রায় ১৫০ জন ওই হামলায় অংশ নেন। তাদের হাতে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র ছিল বলেও তিনি দাবি করেন। হামলার সময় প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ে পালানোর একপর্যায়ে তিনি ডিএনডি খালে পড়ে যান এবং একটি দাঁত হারান বলে ট্রাইব্যুনালকে জানান।মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমান, তার ছেলে অয়ন ওসমান, আজমেরী ওসমান, মো. মিনহাজ উদ্দিন আহম্মদ, তানভির আহম্মেদসহ ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে। ট্রাইব্যুনালে জানানো হয়েছে, মামলার সব আসামি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।এ মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রথম অভিযোগে ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই নারায়ণগঞ্জে পারভেজ, আদিল, ইয়াসিন, আবুল হোসেন, রাসেল রানা ও শিশু রিয়া গোপকে হত্যাসহ বহু আন্দোলনকারীকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে।দ্বিতীয় অভিযোগে ২১ জুলাই আবদুর রহমান ও রাকিব ব্যাপারীকে হত্যা এবং অনেক আন্দোলনকারীকে গুরুতর আহত করার অভিযোগ আনা হয়েছে। তৃতীয় অভিযোগে ৫ আগস্ট বদিউজ্জামান ও আবুল হাসানকে হত্যা এবং ওইদিন অসংখ্য আন্দোলনকারীকে আহত করার অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: আরিফুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বি পি নিউজ