প্রিন্ট এর তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬
এআই ক্যামেরার নজরদারি শুরু, ৩ ঘণ্টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৩৭৯ মামলা
||
এআই ক্যামেরার নজরদারি শুরু, ৩ ঘণ্টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৩৭৯ মামলাঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ট্রাফিক আইন ভঙ্গকারীদের শনাক্তে চালু হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিনির্ভর ক্যামেরা। নজরদারি কার্যক্রম শুরুর পরপরই এর কার্যকারিতার চিত্রও সামনে এসেছে। মাত্র তিন ঘণ্টায় বিভিন্ন ধরনের ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় ৩৭৯টি মামলা করেছে হাইওয়ে পুলিশ।মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত এআই ক্যামেরার মাধ্যমে মহাসড়কে চলাচলকারী যানবাহনের বিভিন্ন অনিয়ম শনাক্ত করা হয়। পরে শনাক্ত হওয়া আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় ডিজিটাল প্রক্রিয়ায় এসব মামলা করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাইওয়ে কুমিল্লা রিজিয়নের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহিনুর আলম।হাইওয়ে পুলিশের তথ্যমতে, রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ককে এ স্বয়ংক্রিয় নজরদারি ব্যবস্থার আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে মোট ১ হাজার ৪২৭টি এআই ক্যামেরা।নতুন এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ক্যামেরাগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলাচলকারী যানবাহনের নম্বর প্লেট শনাক্ত করতে সক্ষম। একই সঙ্গে যানবাহনের গতি, চলাচলের ধরন এবং ট্রাফিক আইন মেনে চলার বিষয়ও পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, নির্ধারিত গতিসীমার বেশি গতিতে গাড়ি চালানো, নির্দিষ্ট লেন অনুসরণ না করা, ঝুঁকিপূর্ণভাবে ওভারটেকিং, মহাসড়কে উল্টো পথে যানবাহন চালানো এবং অবৈধভাবে গাড়ি পার্কিংসহ বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম এআই ক্যামেরার মাধ্যমে শনাক্ত করা হচ্ছে।কোনো যানবাহনের বিরুদ্ধে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের তথ্য শনাক্ত হলে সংশ্লিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডিজিটাল মামলা তৈরি হচ্ছে। পরে মামলার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট গাড়ির মালিকের মোবাইল নম্বরে বার্তা পাঠানো হচ্ছে।হাইওয়ে পুলিশের এ উদ্যোগের ফলে মহাসড়কে ট্রাফিক আইন বাস্তবায়নে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি আরও জোরদার হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। একই সঙ্গে চালকদের আইন মেনে নির্ধারিত লেন ও গতিসীমা অনুসরণ করে নিরাপদে যানবাহন চালানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: আরিফুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বি পি নিউজ