প্রিন্ট এর তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ফতুল্লায় চুরি যাওয়া ৪৯ ভরি স্বর্ণ ও ৮ ভরি রূপার অলংকার উদ্ধার, গ্রেপ্তার ড্রাইভার
||
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি বাসায় চুরির ঘটনায় তদন্তে অগ্রগতি পেয়েছে পুলিশ। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে হোসেন (৪২) নামে ওই পরিবারের এক ড্রাইভারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার কাছ থেকে চুরি যাওয়া ৪৯ ভরি ১৫ আনা স্বর্ণালংকার এবং ৮ ভরি ১৪ আনা রূপার অলংকার উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে দুপুরের মধ্যে ফতুল্লা মডেল থানার শিকদার বাজার, গাবতলী ও টাগারপাড় এলাকার একটি বাসায় চুরির ঘটনা ঘটে। ওই সময় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি বা ব্যক্তিরা কৌশলে বাসায় প্রবেশ করে নগদ ২ লাখ ২০ হাজার টাকা, স্বর্ণ ও রূপার অলংকার এবং সিসি ক্যামেরার ডিভিআর নিয়ে যায়।চুরি যাওয়া মালামালের আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ১০ লাখ ৫০ হাজার টাকা বলে মামলার তথ্য অনুযায়ী জানা গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর অভিযোগের পর ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা করা হয়।মামলাটি তদন্তে নেমে ঘটনাস্থলের আশপাশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে পর্যালোচনা করে পুলিশ। ফুটেজ বিশ্লেষণের একপর্যায়ে ঘটনার দিন বাড়ির ড্রাইভার হোসেনের গতিবিধি পুলিশের নজরে আসে। পরিবারের সদস্যদের অনুপস্থিতির সুযোগে তিনি বাড়িতে প্রবেশ করেন এবং কিছু সময় পর সেখান থেকে বেরিয়ে যান বলে ফুটেজে দেখা যায়।এরপর তদন্তকারীরা হোসেনের চলাফেরা ও অবস্থান সম্পর্কে নজরদারি শুরু করেন। সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে অভিযান পরিচালনা করে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ।নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় এবং ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহবুব আলমের তত্ত্বাবধানে এ অভিযান পরিচালিত হয়। এসআই (নিঃ) পলাশ বাউনের নেতৃত্বে এসআই মিলন ফকিরসহ পুলিশের একটি দল গত ১৪ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টার দিকে শিকদার বাজার, গাবতলী ও টাগারপাড় এলাকায় অভিযান চালায়।অভিযান চলাকালে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি শেরপুর সদর থানার চাপাতলী এলাকার কালামের ছেলে এবং বর্তমানে ফতুল্লার চানমারি এলাকায় জাকিরের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছিলেন।পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তারের পর হোসেনের হেফাজত থেকে চুরি হওয়া স্বর্ণালংকারের ৪৯ ভরি ১৫ আনা এবং রূপার অলংকারের ৮ ভরি ১৪ আনা উদ্ধার করা হয়েছে।গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে চুরি যাওয়া বাকি মালামাল উদ্ধারের পাশাপাশি ঘটনায় আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা শনাক্ত করতে তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ জানিয়েছে, চুরি, ডাকাতিসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: আরিফুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বি পি নিউজ