প্রিন্ট এর তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কাশীপুরে মাদ্রাসার ছাদে বৈদ্যুতিক ফ্ল্যাশ, দগ্ধ ৫ ছাত্রীর মধ্যে ২ জনের মৃত্যু
||
ফতুল্লার কাশীপুর হাজীপাড়া এলাকার মহিলা মাদ্রাসায় বৈদ্যুতিক ফ্ল্যাশ বার্নের ঘটনায় গুরুতর দগ্ধ জিদনি (১৪) মারা গেছে। রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টার দিকে তার মৃত্যু হয়।এর আগে একই ঘটনায় দগ্ধ আতিয়া (১১) মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। ফলে মাদ্রাসার ছাদে ঘটে যাওয়া ওই ঘটনায় দগ্ধ পাঁচ ছাত্রীর মধ্যে এ পর্যন্ত দুজনের মৃত্যু হলো।জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন (ইমার্জেন্সি) ডা. সুলতান মাহমুদ শিকদার জানান, জিদনির শরীরের ৮২ শতাংশ ইলেকট্রিক ফ্ল্যাশ বার্ন হয়েছিল। গুরুতর অবস্থায় তাকে আইসিইউতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। বুধবার সকালে তার মৃত্যু হয়।এ ঘটনায় দগ্ধ লামিয়া (১৩) এখনও আইসিইউতে চিকিৎসাধীন। তার শরীরের ৫৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে এবং চিকিৎসকেরা তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় পর্যবেক্ষণে রেখেছেন।অন্যদিকে, দগ্ধ আছিয়া ও সুমাইয়ার শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল বলে জানা গেছে। তাদের দুজনকেই আইসিইউ থেকে সাধারণ ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়েছে।গত ২৬ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ফতুল্লার কাশীপুর হাজীপাড়া এলাকার মাহেলা খাতুন মহিলা মাদ্রাসার ছাদে পাঁচ আবাসিক ছাত্রী দগ্ধ হয়।ঘটনার সময় ছাত্রীদের কাছে থাকা পাতাযুক্ত আখ হাই-ভোল্টেজ বিদ্যুৎ লাইনের সংস্পর্শে এলে বৈদ্যুতিক ফ্ল্যাশের সৃষ্টি হয়। এতে পাঁচ ছাত্রী দগ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়। পরে তাদের প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দিয়ে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়।চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার আতিয়ার মৃত্যু হয়। এর একদিন পর বুধবার সকালে মারা গেল জিদনি। বর্তমানে লামিয়া আইসিইউতে এবং আছিয়া ও সুমাইয়া ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: আরিফুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বি পি নিউজ