বি পি নিউজ ২৪

চরিত্রের দোহাই দিয়ে বিচারহীনতা কোনোভাবেই চলতে পারে না।



চরিত্রের দোহাই দিয়ে বিচারহীনতা কোনোভাবেই চলতে পারে না।
ধর্ষণ মামলার রায়ের পর্যবেক্ষনে আদালতের মন্তব্যের প্রতিবাদ ও সাক্ষ্য আইনের দু’টি ধারা বাতিলের দাবিতে প্রতিবাদী অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে নারী সংহতি নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখা। সোমবার (১৫ নভেম্বর) সকাল ১১টায় নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এই সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের আহ্বায়ক নাজমা বেগম, সাধারণ সম্পাদক পপি রানী সরকার, জেলা ছাত্র ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ফারহানা মানিক মুনা, নারায়ণগঞ্জ চারুকলা ইন্সটিটিউটের প্রাক্তন শিক্ষার্থী নুসরাত নুপুর প্রমুখ। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের ৫০ বছর পার হলেও বিচার ব্যবস্থা এখনও ব্রিটিশের প্রণয়ন করা আইন দিয়েই চলছে। যা স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য লজ্জাকর। সাক্ষ্য আইন ১৫৫(৪) এবং ১৪৬(৩) প্রকারান্তরে ধর্ষকদের পার পাইয়ে দিতে সহায়ক হবে । যে আদালত এই রকম অদ্ভূত আইন তৈরি করে সেই আদালতকে প্রশ্ন করতে হবে। কেউ বা কোনো কিছুই প্রশ্নাতীত নয়। চরিত্রের দোহাই দিয়ে বিচারহীনতা কোনোভাবেই চলতে পারে না। স্পষ্ট ভাষায় আমরা বলতে চাই, প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য ন্যায়বিচারের ব্যবস্থা করাই আইনের কাজ কারো চারিত্রিক সার্টিফিকেট দিয়ে জাস্টিফাই করা নয়। ব্রিটিশদের তৈরি করা এই নিবর্তনমূলক সকল আইন ও নারীকে হেয় করে এমন সকল আইনি প্রক্রিয়া বাতিল করে নারীর মর্যাদা নিশ্চিতের দাবি জানাই। অস্তিত্ব রক্ষার এই লড়াইয়ে প্রত্যেক নারীকে সোচ্চার হবার আহবান জানাই।’

আপনার মতামত লিখুন

বি পি নিউজ ২৪

শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬


চরিত্রের দোহাই দিয়ে বিচারহীনতা কোনোভাবেই চলতে পারে না।

প্রকাশের তারিখ : ১৫ নভেম্বর ২০২১

featured Image
ধর্ষণ মামলার রায়ের পর্যবেক্ষনে আদালতের মন্তব্যের প্রতিবাদ ও সাক্ষ্য আইনের দু’টি ধারা বাতিলের দাবিতে প্রতিবাদী অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে নারী সংহতি নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখা। সোমবার (১৫ নভেম্বর) সকাল ১১টায় নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এই সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের আহ্বায়ক নাজমা বেগম, সাধারণ সম্পাদক পপি রানী সরকার, জেলা ছাত্র ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ফারহানা মানিক মুনা, নারায়ণগঞ্জ চারুকলা ইন্সটিটিউটের প্রাক্তন শিক্ষার্থী নুসরাত নুপুর প্রমুখ। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের ৫০ বছর পার হলেও বিচার ব্যবস্থা এখনও ব্রিটিশের প্রণয়ন করা আইন দিয়েই চলছে। যা স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য লজ্জাকর। সাক্ষ্য আইন ১৫৫(৪) এবং ১৪৬(৩) প্রকারান্তরে ধর্ষকদের পার পাইয়ে দিতে সহায়ক হবে । যে আদালত এই রকম অদ্ভূত আইন তৈরি করে সেই আদালতকে প্রশ্ন করতে হবে। কেউ বা কোনো কিছুই প্রশ্নাতীত নয়। চরিত্রের দোহাই দিয়ে বিচারহীনতা কোনোভাবেই চলতে পারে না। স্পষ্ট ভাষায় আমরা বলতে চাই, প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য ন্যায়বিচারের ব্যবস্থা করাই আইনের কাজ কারো চারিত্রিক সার্টিফিকেট দিয়ে জাস্টিফাই করা নয়। ব্রিটিশদের তৈরি করা এই নিবর্তনমূলক সকল আইন ও নারীকে হেয় করে এমন সকল আইনি প্রক্রিয়া বাতিল করে নারীর মর্যাদা নিশ্চিতের দাবি জানাই। অস্তিত্ব রক্ষার এই লড়াইয়ে প্রত্যেক নারীকে সোচ্চার হবার আহবান জানাই।’

বি পি নিউজ ২৪

সম্পাদক ও প্রকাশক: আরিফুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বি পি নিউজ