জুলাই বিপ্লবে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের অবদানের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচয়ের ভিত্তিতে সব ধরনের বৈষম্য দূর করার আহ্বান জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন।রোববার (২০ জুলাই) রাজধানীর বিএমএ ভবনের মিলনায়তনে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্স আয়োজিত ‘জুলাইয়ের রক্তাক্ত জুব্বা: মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের অবদান’ শীর্ষক সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এমপি।বক্তব্যে আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাদ্রাসার ছাত্র, শিক্ষক ও অ্যালামনাইরা সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন। তাদের এ অবদানের যথাযথ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।তিনি বলেন, অতীতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা নানা সময় ট্যাগিং, ফ্রেমিং ও বৈষম্যের শিকার হয়েছেন, যা একটি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রের চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।তিনি আরও বলেন, নতুন বাংলাদেশে কোনো নাগরিক যেন তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠয়ের পরিচয়ের কারণে বৈষম্য বা নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত না হন। স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা সমান মর্যাদা ও সমান অধিকার নিয়ে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় অংশ নেবে—এমন একটি বৈষম্যহীন, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। এছাড়া রাষ্ট্রচিন্তক ফরহাদ মজহার, চিন্তক মুসা আল হাফিজসহ বিভিন্ন ইসলামী সংগঠনের শীর্ষ নেতারা বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ইসলামী সংগঠনের প্রতিনিধি, আলেম-ওলামা, শিক্ষার্থী এবং সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।