দীর্ঘ এক দশক পর বিএনপি তাদের জাতীয় কাউন্সিল আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। সম্প্রতি শনিবার রাতে দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে নীতিনির্ধারকরা অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো পুনর্গঠনের সিদ্ধান্তও গ্রহণ করেছেন।
বৈঠক শেষে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম শক্তিশালী করতে দ্রুততম সময়ে কাউন্সিল করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে কোরবানি ঈদের আগে কাউন্সিল করা সম্ভব নয়; কয়েক মাস সময় লেগে যাবে।
বৈঠকে জাতীয় কাউন্সিলের পাশাপাশি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটিগুলো পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া সরকারের ৪৭ দিনের কর্মসূচি, সংবিধান সংস্কার, জুলাই জাতীয় সনদ ইস্যু, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট এবং সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নসহ সারা দেশে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
বিএনপির সর্বশেষ ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিল হয়েছিল ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ। তিন বছর অন্তর কাউন্সিল হওয়ার বিধি থাকলেও নানা কারণে তা সম্ভব হয়নি। দীর্ঘ সময়ে জাতীয় নির্বাহী কমিটি একাধিকবার পুনর্গঠন করা হয়েছে।
দলীয় সূত্র জানায়, কোরবানি ঈদের আগে কেন্দ্রীয় কাউন্সিল আয়োজন সম্ভব না হলেও ঈদের পর দ্রুত কাউন্সিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৈঠকে নেতারা জানিয়েছেন, সাংগঠনিক পুনর্গঠন ও কার্যক্রম জোরদার করা, গুরুত্বপূর্ণ পদে পরিবর্তন আনা এবং দলের নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টিই মূল লক্ষ্য।
বৈঠকে অংশ নেওয়া একজন নেতা বলেন, তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত নেতৃত্ব পুনর্গঠন, নতুন কৌশল নির্ধারণ এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিকল্পনা চূড়ান্ত করতেই এই কাউন্সিল আয়োজন করা হচ্ছে।
স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সরকারের কর্মকাণ্ড পর্যালোচনা করা হয় এবং নির্বাচনের বাকি প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের জন্য দ্রুত উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। এছাড়া বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, জুলাই সনদ, সংরক্ষিত নারী আসনসহ অন্যান্য বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্যগণ—ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান (ভার্চুয়াল), মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, বেগম সেলিমা রহমান (ভার্চুয়াল), ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
এতে স্পষ্ট যে, বিএনপি দ্রুত সাংগঠনিক পুনর্গঠন ও নতুন উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দলের কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে এগোচ্ছে।

রোববার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬
দীর্ঘ এক দশক পর বিএনপি তাদের জাতীয় কাউন্সিল আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। সম্প্রতি শনিবার রাতে দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে নীতিনির্ধারকরা অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো পুনর্গঠনের সিদ্ধান্তও গ্রহণ করেছেন।
বৈঠক শেষে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম শক্তিশালী করতে দ্রুততম সময়ে কাউন্সিল করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে কোরবানি ঈদের আগে কাউন্সিল করা সম্ভব নয়; কয়েক মাস সময় লেগে যাবে।
বৈঠকে জাতীয় কাউন্সিলের পাশাপাশি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটিগুলো পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া সরকারের ৪৭ দিনের কর্মসূচি, সংবিধান সংস্কার, জুলাই জাতীয় সনদ ইস্যু, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট এবং সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নসহ সারা দেশে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
বিএনপির সর্বশেষ ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিল হয়েছিল ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ। তিন বছর অন্তর কাউন্সিল হওয়ার বিধি থাকলেও নানা কারণে তা সম্ভব হয়নি। দীর্ঘ সময়ে জাতীয় নির্বাহী কমিটি একাধিকবার পুনর্গঠন করা হয়েছে।
দলীয় সূত্র জানায়, কোরবানি ঈদের আগে কেন্দ্রীয় কাউন্সিল আয়োজন সম্ভব না হলেও ঈদের পর দ্রুত কাউন্সিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৈঠকে নেতারা জানিয়েছেন, সাংগঠনিক পুনর্গঠন ও কার্যক্রম জোরদার করা, গুরুত্বপূর্ণ পদে পরিবর্তন আনা এবং দলের নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টিই মূল লক্ষ্য।
বৈঠকে অংশ নেওয়া একজন নেতা বলেন, তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত নেতৃত্ব পুনর্গঠন, নতুন কৌশল নির্ধারণ এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিকল্পনা চূড়ান্ত করতেই এই কাউন্সিল আয়োজন করা হচ্ছে।
স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সরকারের কর্মকাণ্ড পর্যালোচনা করা হয় এবং নির্বাচনের বাকি প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের জন্য দ্রুত উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। এছাড়া বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, জুলাই সনদ, সংরক্ষিত নারী আসনসহ অন্যান্য বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্যগণ—ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান (ভার্চুয়াল), মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, বেগম সেলিমা রহমান (ভার্চুয়াল), ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
এতে স্পষ্ট যে, বিএনপি দ্রুত সাংগঠনিক পুনর্গঠন ও নতুন উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দলের কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে এগোচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন