নারায়ণগঞ্জে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনের দাবিতে আগামীকাল মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকাল ১০টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলার একটি প্রতিনিধি দল।
জেলা সমন্বয়কারী তারিকুল ইসলামের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে থাকবেন জেলা যুগ্ম সমন্বয়কারী আলমগীর হোসেন আলম, মহানগর কমিটির নির্বাহী সমন্বয়কারী পপি রানী সরকার এবং ছাত্র ফেডারেশনের সাবেক জেলা সভাপতি ফারহানা মানিক মুনা।
সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে তারিকুল ইসলাম বলেন, মাত্র ৬৮৫ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের নারায়ণগঞ্জ জেলায় প্রায় এক কোটি মানুষের বসবাস। শিল্পসমৃদ্ধ ও ঐতিহ্যবাহী এই জেলা রাজধানীর নিকটবর্তী হওয়া সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন, অবকাঠামো ও সরকারি বরাদ্দে বঞ্চিত রয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, জনসংখ্যার তুলনায় জেলার স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা অত্যন্ত দুর্বল। সদর উপজেলায় দুটি সরকারি হাসপাতাল থাকলেও সেখানে আইসিইউ, হৃদরোগ চিকিৎসা, বার্ন ইউনিট, কিডনি ডায়ালাইসিস কিংবা নিউরোলজি সেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা নেই। এমনকি জরুরি চিকিৎসা সেবার ক্ষেত্রেও রয়েছে সীমাবদ্ধতা। ফলে গুরুতর রোগীদের চিকিৎসার জন্য ঢাকার ওপর নির্ভর করতে হয়, যা অনেক ক্ষেত্রে প্রাণহানির ঝুঁকি তৈরি করে।
তারিকুল ইসলাম আরও জানান, ২০২২ সালের ৪ জানুয়ারি স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের তৎকালীন সচিব মো. সাইফুল হাসান বাদলের স্বাক্ষরে নারায়ণগঞ্জে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে খানপুরের ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালকে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে রূপান্তরের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে চার বছর পেরিয়ে গেলেও প্রকল্পটির কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি।
এদিকে তিনি উল্লেখ করেন, পরবর্তীতে মুন্সিগঞ্জে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনের প্রজ্ঞাপন জারি হয়ে তা দ্রুত বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে, যা নারায়ণগঞ্জবাসীর মধ্যে হতাশা বাড়িয়েছে।

সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
নারায়ণগঞ্জে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনের দাবিতে আগামীকাল মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকাল ১০টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলার একটি প্রতিনিধি দল।
জেলা সমন্বয়কারী তারিকুল ইসলামের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে থাকবেন জেলা যুগ্ম সমন্বয়কারী আলমগীর হোসেন আলম, মহানগর কমিটির নির্বাহী সমন্বয়কারী পপি রানী সরকার এবং ছাত্র ফেডারেশনের সাবেক জেলা সভাপতি ফারহানা মানিক মুনা।
সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে তারিকুল ইসলাম বলেন, মাত্র ৬৮৫ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের নারায়ণগঞ্জ জেলায় প্রায় এক কোটি মানুষের বসবাস। শিল্পসমৃদ্ধ ও ঐতিহ্যবাহী এই জেলা রাজধানীর নিকটবর্তী হওয়া সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন, অবকাঠামো ও সরকারি বরাদ্দে বঞ্চিত রয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, জনসংখ্যার তুলনায় জেলার স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা অত্যন্ত দুর্বল। সদর উপজেলায় দুটি সরকারি হাসপাতাল থাকলেও সেখানে আইসিইউ, হৃদরোগ চিকিৎসা, বার্ন ইউনিট, কিডনি ডায়ালাইসিস কিংবা নিউরোলজি সেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা নেই। এমনকি জরুরি চিকিৎসা সেবার ক্ষেত্রেও রয়েছে সীমাবদ্ধতা। ফলে গুরুতর রোগীদের চিকিৎসার জন্য ঢাকার ওপর নির্ভর করতে হয়, যা অনেক ক্ষেত্রে প্রাণহানির ঝুঁকি তৈরি করে।
তারিকুল ইসলাম আরও জানান, ২০২২ সালের ৪ জানুয়ারি স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের তৎকালীন সচিব মো. সাইফুল হাসান বাদলের স্বাক্ষরে নারায়ণগঞ্জে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে খানপুরের ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালকে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে রূপান্তরের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে চার বছর পেরিয়ে গেলেও প্রকল্পটির কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি।
এদিকে তিনি উল্লেখ করেন, পরবর্তীতে মুন্সিগঞ্জে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনের প্রজ্ঞাপন জারি হয়ে তা দ্রুত বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে, যা নারায়ণগঞ্জবাসীর মধ্যে হতাশা বাড়িয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন