মামলায় আরো উল্লেখ করেন উপরে উল্লেখিত আসামী সহ অজ্ঞাত নামা ৫/৬ জন আমার ছেলে ভিকটিম শফিকুল ইসলামের সাথে একত্রে চলাফেরা করিতো। চলাফেরা কালে তাদের মধ্যে মত বিরোধ সৃষ্টি হয়। এরপর থেকে বিবাদীরা আমার ছেলেকে বিভিন্ন সময়ে মারিয়া ফেলার জন্য হুমকি দিতো। ২২/১২/২০২২ তারিখ সকাল অনুমান ১০.০০ ঘটিকার সময় আমার ছেলে শফিকুল ইসলাম আমার বাড়ীর মধ্যে থাকা নিজেদের মুদি দোকানে বসা ছিল। ঐ সময় পূর্ব শত্রুতার জের হিসাবে উক্ত বিবাদীগন হাতে ধারালো ছোরা, গরুর মাংশ কাটার ধারালো ছুরি ইত্যাদি সহ আমার দোকানে আসিয়া ছেলেকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।
তখন আমার ছেলে প্রতিবাদ করিলে ১নং বিবাদী তার হাতে থাকা ধারালো ছোরা দিয়া হত্যার উদ্দেশ্য ঘাড়ের পিছনে কোপ মারিয়া বাম কান হইতে ডান কান পর্যন্ত গুরুতর কাটা রক্তাক্ত জখম করে। তখন আমার ছেলে চিৎকার দিয়া মাটিতে পড়িয়া গেলে ২নং ও ৩নং বিবাদীর নিকট থেকে গরুর মাংশ কাটা ধারালো ছুরি নিয়া বাম পায়ের রানের নিচে পার দিয়া হাড় ভেদ করিয়া মাংশ বাহির করিয়া ফেলে। ৩নং বিবাদী হত্যার উদ্দেশ্য আমার ছেলের বুকের উপরে একাধিক লাথি মারিতে থাকে।
ফলে আমার ছেলে জ্ঞান হারাইয়া ফেলে।অজ্ঞাত নামা বিবাদীগন ও আমার ছেলে কে মারধর করে। পরবর্তীতে ১নং বিবাদী আমার দোকানের ক্যাশে থাকা ১২,০০০/( বার হাজার ) টাকা এবং ২নং বিবাদী আমার ছেলের একটি স্যামসাং মোবাইল সেট মূল্য অনুমান ৩০,০০০/- (ত্রিশ হাজার ) টাকা নিয়া নেয়। আমি মাঠে কাজ অবস্থায় ঘটনা প্রত্যক্ষ করিয়া চিৎকার দিলে বাড়ীর লোকজন সহ আশপাশের লোকজন আগাইয়া আসিলে বিবাদীরা হুমকি দিয়া পালাইয়া যায়। পরবর্তীতে ছেলেকে চিকিৎসার জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল (ভিক্টোরিয়া) নিয়া গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার আমার ছেলের অবস্থা আশংকাজনক দেখিয়া ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে রেফার্ড করে। থানায় মামলা দায়ের করার এক সপ্তাহ পেরোলেও পুলিশ এখনো পর্যন্ত কোন আসামীকে গ্রেফতার করতে পারেনি।অথচ এলাকাবাসী জানায়, অভিযুক্ত আসামীরা এলাকায় অনায়াসে ঘুরাফেরা করছে 
শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ ডিসেম্বর ২০২২
মামলায় আরো উল্লেখ করেন উপরে উল্লেখিত আসামী সহ অজ্ঞাত নামা ৫/৬ জন আমার ছেলে ভিকটিম শফিকুল ইসলামের সাথে একত্রে চলাফেরা করিতো। চলাফেরা কালে তাদের মধ্যে মত বিরোধ সৃষ্টি হয়। এরপর থেকে বিবাদীরা আমার ছেলেকে বিভিন্ন সময়ে মারিয়া ফেলার জন্য হুমকি দিতো। ২২/১২/২০২২ তারিখ সকাল অনুমান ১০.০০ ঘটিকার সময় আমার ছেলে শফিকুল ইসলাম আমার বাড়ীর মধ্যে থাকা নিজেদের মুদি দোকানে বসা ছিল। ঐ সময় পূর্ব শত্রুতার জের হিসাবে উক্ত বিবাদীগন হাতে ধারালো ছোরা, গরুর মাংশ কাটার ধারালো ছুরি ইত্যাদি সহ আমার দোকানে আসিয়া ছেলেকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।
তখন আমার ছেলে প্রতিবাদ করিলে ১নং বিবাদী তার হাতে থাকা ধারালো ছোরা দিয়া হত্যার উদ্দেশ্য ঘাড়ের পিছনে কোপ মারিয়া বাম কান হইতে ডান কান পর্যন্ত গুরুতর কাটা রক্তাক্ত জখম করে। তখন আমার ছেলে চিৎকার দিয়া মাটিতে পড়িয়া গেলে ২নং ও ৩নং বিবাদীর নিকট থেকে গরুর মাংশ কাটা ধারালো ছুরি নিয়া বাম পায়ের রানের নিচে পার দিয়া হাড় ভেদ করিয়া মাংশ বাহির করিয়া ফেলে। ৩নং বিবাদী হত্যার উদ্দেশ্য আমার ছেলের বুকের উপরে একাধিক লাথি মারিতে থাকে।
ফলে আমার ছেলে জ্ঞান হারাইয়া ফেলে।অজ্ঞাত নামা বিবাদীগন ও আমার ছেলে কে মারধর করে। পরবর্তীতে ১নং বিবাদী আমার দোকানের ক্যাশে থাকা ১২,০০০/( বার হাজার ) টাকা এবং ২নং বিবাদী আমার ছেলের একটি স্যামসাং মোবাইল সেট মূল্য অনুমান ৩০,০০০/- (ত্রিশ হাজার ) টাকা নিয়া নেয়। আমি মাঠে কাজ অবস্থায় ঘটনা প্রত্যক্ষ করিয়া চিৎকার দিলে বাড়ীর লোকজন সহ আশপাশের লোকজন আগাইয়া আসিলে বিবাদীরা হুমকি দিয়া পালাইয়া যায়। পরবর্তীতে ছেলেকে চিকিৎসার জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল (ভিক্টোরিয়া) নিয়া গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার আমার ছেলের অবস্থা আশংকাজনক দেখিয়া ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে রেফার্ড করে। থানায় মামলা দায়ের করার এক সপ্তাহ পেরোলেও পুলিশ এখনো পর্যন্ত কোন আসামীকে গ্রেফতার করতে পারেনি।অথচ এলাকাবাসী জানায়, অভিযুক্ত আসামীরা এলাকায় অনায়াসে ঘুরাফেরা করছে 
আপনার মতামত লিখুন