বি পি নিউজ ২৪

মতামত

বন্দরের ভাগ্য কি তবে অপরাধীদের হাতে? ব্যর্থ ওসির অপসারণ চাই?: ফুঁসে উঠেছে সাধারণ মানুষ

নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার আইন-শৃঙ্খলার অবনতি এখন কোন পর্যায়ে গিয়ে ঠেকেছে, তার প্রমাণ মিললো খোদ পুলিশের ওপর বর্বরোচিত হামলা ও সরকারি শর্টগান ছিনতাইয়ের ঘটনায়। সাধারণ মানুষ এখন প্রশ্ন তুলছেন বন্দরের ভাগ্য কি তবে অপরাধীদের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে? একজন অদক্ষ ও অদূরদর্শী অফিসার ইনচার্জের (ওসি) অধীনে বন্দরের মতো জনবহুল এলাকা এখন ডাকাত ও ছিনতাইকারীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ওসির চরম ব্যর্থতায় সাধারণ মানুষের পাশাপাশি এখন মাঠ পর্যায়ের পুলিশ সদস্যরাও জীবনের ঝুঁকিতে রয়েছেন।নিরাপত্তার বদলে মিলছে অপরাধের মহোৎসব: ওসি গোলাম মোক্তার আশরাফ উদ্দিন যোগদানের পর থেকে বন্দরে অপরাধ দমনের চেয়ে ‘তদবির’ ও ‘নিভৃত বাণিজ্য’ বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কলাগাছিয়া ইউনিয়নের ফরাজীকান্দা-মাধবপাশা এলাকা: যেখানে প্রতিনিয়ত পথচারীরা ছিনতাইয়ের শিকার হচ্ছেন। চৌধুরী বাড়ি-রুস্তমপুর ব্রিজ সংলগ্ন এলাকা: যা ঝোপঝাড় ও অন্ধকারাচ্ছন্ন হওয়ার কারণে অপরাধীদের নিরাপদ আস্তানায় পরিণত হয়েছে। দাশেঁওগাও-ধামগড় সড়ক: এই দীর্ঘ নির্জন রাস্তায় রাতের বেলায় ছিনতাই ও ডাকাতি চালিয়ে যাচ্ছে। অথচ পুলিশি টহল বা অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কোনো নজির নেই। গত শুক্রবার রাতে পুলিশের ওপর হামলা এবং অস্ত্র ছিনতাইয়ের ঘটনা ওসির নেতৃত্বের চূড়ান্ত ব্যর্থতা হিসেবেই দেখা হচ্ছে। সচেতন মহল মনে করেন, যদি অপরাধীদের মনে আইনের ভয় থাকতো, তবে তারা খোদ পুলিশকে কুপিয়ে অস্ত্র নেওয়ার সাহস পেত না।ওসির অপসারণ এখন জনদাবি:বন্দরের সাধারণ মানুষ আজ নিজেদের জানমাল নিয়ে শঙ্কিত। সন্ধ্যার পর রাস্তায় বের হওয়া এখন মৃত্যুঝুঁকির সমান। একজন ব্যর্থ ও বাণিজ্যিক মানসিকতার ওসির অধীনে পুলিশের চেইন অব কমান্ড ভেঙে পড়েছে। ভুক্তভোগীদের একটাই দাবি অবিলম্বে এই অদক্ষ ওসিকে প্রত্যাহার করে একজন সাহসী ও দক্ষ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হোক। নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপই পারে বন্দরকে এই অন্ধকার সময় থেকে উদ্ধার করতে।

বন্দরের ভাগ্য কি তবে অপরাধীদের হাতে? ব্যর্থ ওসির অপসারণ চাই?: ফুঁসে উঠেছে সাধারণ মানুষ