বি পি নিউজ ২৪

নারায়ণগঞ্জে তেলের সং'কট, পাম্পে পাম্পে ‘তেল নেই’—দু'র্ভোগে চালকরা


প্রকাশ : ৩০ মার্চ ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

নারায়ণগঞ্জে তেলের সং'কট, পাম্পে পাম্পে ‘তেল নেই’—দু'র্ভোগে চালকরা
ছবি: সংগৃহীত

নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় জ্বালানি তেলের সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। অধিকাংশ ফিলিং স্টেশনে তেল না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যানবাহনের চালকরা।

কাঁচপুর থেকে মোটরসাইকেলে করে মুন্সিগঞ্জে যাওয়ার পথে তেল ফুরিয়ে গেলে বিপাকে পড়েন মুস্তাফিজুর রহমান। সঙ্গে থাকা তার বৃদ্ধ বাবাকে নিয়ে তিনি মোটরসাইকেল ঠেলে সাইনবোর্ড এলাকার একটি ফিলিং স্টেশনে পৌঁছান। কিন্তু সেখানে গিয়ে দেখেন ‘তেল নেই’ সাইনবোর্ড ঝুলছে। এতে ক্লান্ত হয়ে পাশেই গাছতলায় বসে পড়েন তারা।

মুস্তাফিজুর জানান, তেল শেষ হওয়ার পর কষ্ট করে স্টেশনে এলেও তেল না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। ফিলিং স্টেশনের কর্মীরা জানান, গত বৃহস্পতিবার থেকেই তাদের স্টেশনে তেল নেই। ডিপোতে একাধিকবার গাড়ি পাঠিয়েও তারা সরবরাহ আনতে পারেননি।

রোববার সকালেও একটি গাড়ি ডিপোতে পাঠানো হলেও দুপুর পর্যন্ত তা ফেরেনি। তেল পাওয়া গেলে পুনরায় বিক্রি শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন স্টেশনের কর্মকর্তারা।

এদিকে তেল বিক্রি বন্ধ থাকায় অনেক স্টেশনের কর্মীদের অলস সময় কাটাতে দেখা গেছে। স্বল্প সময়ের পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, একাধিক মোটরসাইকেল তেল নিতে এসে ফিরে গেছে খালি হাতে।

চালকরা অভিযোগ করছেন, সরকার পর্যাপ্ত তেল মজুদের কথা বললেও বাস্তবে তারা রাস্তায় তেল পাচ্ছেন না। অনেক ক্ষেত্রে যানবাহন ঠেলে নিয়ে যেতে হচ্ছে তাদের।

জেলার বেশিরভাগ ফিলিং স্টেশনে একই পরিস্থিতি বিরাজ করছে। কোথাও তেল বিক্রি পুরোপুরি বন্ধ, আবার কোথাও সীমিত আকারে রেশনিং পদ্ধতিতে দেওয়া হচ্ছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।

অভিযোগ রয়েছে, ফিলিং স্টেশনে তেল না মিললেও খুচরা বাজারে বেশি দামে তা বিক্রি হচ্ছে।

এ বিষয়ে গোদনাইলের মেঘনা ডিপোর ইনচার্জ মাহবুবুর রহমান বলেন, তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সপ্তাহের সাত দিনই ডিপো থেকে তেল দেওয়া হচ্ছে। নির্ধারিত পরিমাণ অনুযায়ীই সরবরাহ করা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।

আপনার মতামত লিখুন

বি পি নিউজ ২৪

সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬


নারায়ণগঞ্জে তেলের সং'কট, পাম্পে পাম্পে ‘তেল নেই’—দু'র্ভোগে চালকরা

প্রকাশের তারিখ : ৩০ মার্চ ২০২৬

featured Image

নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় জ্বালানি তেলের সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। অধিকাংশ ফিলিং স্টেশনে তেল না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যানবাহনের চালকরা।

কাঁচপুর থেকে মোটরসাইকেলে করে মুন্সিগঞ্জে যাওয়ার পথে তেল ফুরিয়ে গেলে বিপাকে পড়েন মুস্তাফিজুর রহমান। সঙ্গে থাকা তার বৃদ্ধ বাবাকে নিয়ে তিনি মোটরসাইকেল ঠেলে সাইনবোর্ড এলাকার একটি ফিলিং স্টেশনে পৌঁছান। কিন্তু সেখানে গিয়ে দেখেন ‘তেল নেই’ সাইনবোর্ড ঝুলছে। এতে ক্লান্ত হয়ে পাশেই গাছতলায় বসে পড়েন তারা।

মুস্তাফিজুর জানান, তেল শেষ হওয়ার পর কষ্ট করে স্টেশনে এলেও তেল না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। ফিলিং স্টেশনের কর্মীরা জানান, গত বৃহস্পতিবার থেকেই তাদের স্টেশনে তেল নেই। ডিপোতে একাধিকবার গাড়ি পাঠিয়েও তারা সরবরাহ আনতে পারেননি।

রোববার সকালেও একটি গাড়ি ডিপোতে পাঠানো হলেও দুপুর পর্যন্ত তা ফেরেনি। তেল পাওয়া গেলে পুনরায় বিক্রি শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন স্টেশনের কর্মকর্তারা।

এদিকে তেল বিক্রি বন্ধ থাকায় অনেক স্টেশনের কর্মীদের অলস সময় কাটাতে দেখা গেছে। স্বল্প সময়ের পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, একাধিক মোটরসাইকেল তেল নিতে এসে ফিরে গেছে খালি হাতে।

চালকরা অভিযোগ করছেন, সরকার পর্যাপ্ত তেল মজুদের কথা বললেও বাস্তবে তারা রাস্তায় তেল পাচ্ছেন না। অনেক ক্ষেত্রে যানবাহন ঠেলে নিয়ে যেতে হচ্ছে তাদের।

জেলার বেশিরভাগ ফিলিং স্টেশনে একই পরিস্থিতি বিরাজ করছে। কোথাও তেল বিক্রি পুরোপুরি বন্ধ, আবার কোথাও সীমিত আকারে রেশনিং পদ্ধতিতে দেওয়া হচ্ছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।

অভিযোগ রয়েছে, ফিলিং স্টেশনে তেল না মিললেও খুচরা বাজারে বেশি দামে তা বিক্রি হচ্ছে।

এ বিষয়ে গোদনাইলের মেঘনা ডিপোর ইনচার্জ মাহবুবুর রহমান বলেন, তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সপ্তাহের সাত দিনই ডিপো থেকে তেল দেওয়া হচ্ছে। নির্ধারিত পরিমাণ অনুযায়ীই সরবরাহ করা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।


বি পি নিউজ ২৪

সম্পাদক ও প্রকাশক: আরিফুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বি পি নিউজ