স্টাফ রিপোর্টার | নারায়ণগঞ্জ
ঈদ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের সহায়তা বিতরণকে ঘিরে নানা প্রশ্ন তুলেছেন সাংবাদিক রাশেদুল ইসলাম।
সম্প্রতি দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টে তিনি নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কাশীপুর ইউনিয়নে ত্রাণ বণ্টনের স্বচ্ছতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং স্থানীয় সংসদ সদস্যের কাছে বেশ কিছু প্রশ্ন উত্থাপন করেন।
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ঈদের চারদিন আগে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের ২০০টি পরিবারের মধ্যে ৫ হাজার টাকা করে সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। সেই হিসেবে কাশীপুর ইউনিয়নে প্রায় ২৮ জন উপকারভোগী থাকার কথা থাকলেও প্রকৃতপক্ষে কতজন এই সহায়তা পেয়েছেন—তা জানতে চান তিনি।
তার দাবি অনুযায়ী, মোট ২০০টি চেকের মধ্যে ১০০টি এমপির ঘনিষ্ঠ নেতাকর্মীদের মাধ্যমে এবং বাকি ১০০টি ফতুল্লা থানা বিএনপির মাধ্যমে বিতরণ করা হয়েছে বলে তথ্য পেয়েছেন তিনি।
এছাড়াও, ঈদের আগে কাশীপুর ইউনিয়ন পরিষদে চালের কার্ড বিতরণ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রাশেদুল ইসলাম। তার তথ্যমতে, প্রতি ওয়ার্ড মেম্বারকে ২৬টি করে কার্ড দেওয়া হলেও, এনসিপির নামে প্রায় ৩০০টি এবং বিএনপির এক নেতার মাধ্যমে ২৫৬টি কার্ড নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, এভাবে কার্ড বণ্টন কতটা যৌক্তিক এবং এটি সঠিক প্রক্রিয়ায় হয়েছে কিনা—তা একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে জানতে চান।
পোস্টের শেষাংশে তিনি সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যকে একজন ভালো মানুষ হিসেবে উল্লেখ করে প্রকাশ্যেই এসব প্রশ্নের জবাব প্রত্যাশা করেন।
এই নিউজের কমেন্টে হিসাবের জবাব দিলেন এমপি আব্দুল্লাহ আল আমিন।
নিচে এমপির জবাব তুলে ধরা হলো :
কাদের দেয়া হয়েছে সেই তালিকা উপজেলায় সংরক্ষিত আছে। আপনি সাংবাদিক মানুষ, খোজ নেন। এনসিপির একজন নেতাকর্মীকেও কোনো টাকা দেয়া হয় নাই। গন অভ্যুত্থানে অসচ্ছল আহত এবং দুঃস্থ, দরিদ্রদের মাঝে বিতরণ হয়েছে। প্রসাসনের হাত দিয়েই বিতরণ হয়েছে। এক টাকাও আমার হাতে বা এনসিপির কারো হাতে যায় নি। পুর্নাঙ্গ তালিকা ফোন নাম্বার ও আইডি কার্ড নাম্বার সহ উপজেলা পরিষদ অফিসে সংরক্ষিত আছে। ধন্যবাদ

সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মার্চ ২০২৬
স্টাফ রিপোর্টার | নারায়ণগঞ্জ
ঈদ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের সহায়তা বিতরণকে ঘিরে নানা প্রশ্ন তুলেছেন সাংবাদিক রাশেদুল ইসলাম।
সম্প্রতি দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টে তিনি নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কাশীপুর ইউনিয়নে ত্রাণ বণ্টনের স্বচ্ছতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং স্থানীয় সংসদ সদস্যের কাছে বেশ কিছু প্রশ্ন উত্থাপন করেন।
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ঈদের চারদিন আগে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের ২০০টি পরিবারের মধ্যে ৫ হাজার টাকা করে সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। সেই হিসেবে কাশীপুর ইউনিয়নে প্রায় ২৮ জন উপকারভোগী থাকার কথা থাকলেও প্রকৃতপক্ষে কতজন এই সহায়তা পেয়েছেন—তা জানতে চান তিনি।
তার দাবি অনুযায়ী, মোট ২০০টি চেকের মধ্যে ১০০টি এমপির ঘনিষ্ঠ নেতাকর্মীদের মাধ্যমে এবং বাকি ১০০টি ফতুল্লা থানা বিএনপির মাধ্যমে বিতরণ করা হয়েছে বলে তথ্য পেয়েছেন তিনি।
এছাড়াও, ঈদের আগে কাশীপুর ইউনিয়ন পরিষদে চালের কার্ড বিতরণ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রাশেদুল ইসলাম। তার তথ্যমতে, প্রতি ওয়ার্ড মেম্বারকে ২৬টি করে কার্ড দেওয়া হলেও, এনসিপির নামে প্রায় ৩০০টি এবং বিএনপির এক নেতার মাধ্যমে ২৫৬টি কার্ড নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, এভাবে কার্ড বণ্টন কতটা যৌক্তিক এবং এটি সঠিক প্রক্রিয়ায় হয়েছে কিনা—তা একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে জানতে চান।
পোস্টের শেষাংশে তিনি সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যকে একজন ভালো মানুষ হিসেবে উল্লেখ করে প্রকাশ্যেই এসব প্রশ্নের জবাব প্রত্যাশা করেন।
এই নিউজের কমেন্টে হিসাবের জবাব দিলেন এমপি আব্দুল্লাহ আল আমিন।
নিচে এমপির জবাব তুলে ধরা হলো :
কাদের দেয়া হয়েছে সেই তালিকা উপজেলায় সংরক্ষিত আছে। আপনি সাংবাদিক মানুষ, খোজ নেন। এনসিপির একজন নেতাকর্মীকেও কোনো টাকা দেয়া হয় নাই। গন অভ্যুত্থানে অসচ্ছল আহত এবং দুঃস্থ, দরিদ্রদের মাঝে বিতরণ হয়েছে। প্রসাসনের হাত দিয়েই বিতরণ হয়েছে। এক টাকাও আমার হাতে বা এনসিপির কারো হাতে যায় নি। পুর্নাঙ্গ তালিকা ফোন নাম্বার ও আইডি কার্ড নাম্বার সহ উপজেলা পরিষদ অফিসে সংরক্ষিত আছে। ধন্যবাদ

আপনার মতামত লিখুন