নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করার পর শাস্তিমূলক ব্যবস্থার বদলে সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদের সহযোগিতায় তাকে ৪০ দিনের জন্য তাবলীগ জামাতের চিল্লায় পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে ৫০ হাজার টাকার আর্থিক সহায়তাও দেওয়া হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার পৌরসভার বাধানগর এলাকায়। অভিযুক্ত মনজুর হোসেন (৩৮) ওই এলাকার মোজাম্মেল হকের ছেলে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এর আগে দুইবার গ্রেপ্তার হয়ে জামিনে বেরিয়ে আবারও একই কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন।
এতে ক্ষুব্ধ হয়ে গত শুক্রবার রাতে স্থানীয়রা তার কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ জানায় এবং তাকে ঘেরাও করে। পরে বিষয়টি জানতে পেরে সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদের পক্ষ থেকে তার ছোট ভাই রাকিবুল ইসলাম ঘটনাস্থলে যান। তিনি মনজুরকে পুলিশের হাতে না তুলে দিয়ে সংশোধনের সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
এর অংশ হিসেবে মনজুরকে ৪০ দিনের জন্য তাবলীগ জামাতের চিল্লায় পাঠানো হয়। পাশাপাশি তার পরিবারের ভরণপোষণ ও ভবিষ্যতে নতুনভাবে কাজ শুরু করার জন্য নগদ ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়।
রাকিবুল ইসলাম জানান, শুধুমাত্র কঠোর আইন প্রয়োগ করলেই অপরাধ কমে না; অপরাধীদের মাঝে সংশোধনের সুযোগ সৃষ্টি করাও জরুরি। সেই চিন্তা থেকেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
চিল্লায় যাওয়ার সময় নিজের ভুল স্বীকার করে মনজুর হোসেন বলেন, তিনি নতুন করে জীবন শুরু করতে চান এবং ভবিষ্যতে সঠিক পথে চলার অঙ্গীকার করেন।

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করার পর শাস্তিমূলক ব্যবস্থার বদলে সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদের সহযোগিতায় তাকে ৪০ দিনের জন্য তাবলীগ জামাতের চিল্লায় পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে ৫০ হাজার টাকার আর্থিক সহায়তাও দেওয়া হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার পৌরসভার বাধানগর এলাকায়। অভিযুক্ত মনজুর হোসেন (৩৮) ওই এলাকার মোজাম্মেল হকের ছেলে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এর আগে দুইবার গ্রেপ্তার হয়ে জামিনে বেরিয়ে আবারও একই কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন।
এতে ক্ষুব্ধ হয়ে গত শুক্রবার রাতে স্থানীয়রা তার কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ জানায় এবং তাকে ঘেরাও করে। পরে বিষয়টি জানতে পেরে সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদের পক্ষ থেকে তার ছোট ভাই রাকিবুল ইসলাম ঘটনাস্থলে যান। তিনি মনজুরকে পুলিশের হাতে না তুলে দিয়ে সংশোধনের সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
এর অংশ হিসেবে মনজুরকে ৪০ দিনের জন্য তাবলীগ জামাতের চিল্লায় পাঠানো হয়। পাশাপাশি তার পরিবারের ভরণপোষণ ও ভবিষ্যতে নতুনভাবে কাজ শুরু করার জন্য নগদ ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়।
রাকিবুল ইসলাম জানান, শুধুমাত্র কঠোর আইন প্রয়োগ করলেই অপরাধ কমে না; অপরাধীদের মাঝে সংশোধনের সুযোগ সৃষ্টি করাও জরুরি। সেই চিন্তা থেকেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
চিল্লায় যাওয়ার সময় নিজের ভুল স্বীকার করে মনজুর হোসেন বলেন, তিনি নতুন করে জীবন শুরু করতে চান এবং ভবিষ্যতে সঠিক পথে চলার অঙ্গীকার করেন।

আপনার মতামত লিখুন