জুলাই আন্দোলনের পর হাসিনা সরকারের পতনের পর কুতুবপুরবাসী আশা করেছিলেন এলাকায় মাদকের প্রভাব কমবে। কিন্তু বাস্তবে পাগলা-কুতুবপুর এলাকায় মাদকের বিস্তার আরও বেড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে, যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে বাড়ছে হতাশা।
স্থানীয়দের দাবি, আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় এখন মাদক সহজলভ্য। মাদককেন্দ্রিক আধিপত্য বিস্তারকে ঘিরে প্রায়ই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে, এমনকি গোলাগুলির ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে।
এলাকার মাদক ব্যবসা নিয়ে আলোচনা উঠলেই সামনে আসে আক্তার ওরফে কিলার আক্তার, লিখন, মিঠুন ও ডেভিডের নাম। স্থানীয় একাধিক সূত্রের অভিযোগ, প্রভাবশালী একটি মহলের ছত্রছায়ায় তারা এ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
অভিযোগ রয়েছে, ওই মহলকে ম্যানেজ করতে নগদ অর্থ, দামি মোবাইল ফোন ও গাড়ি কেনার ডাউনপেমেন্টসহ বিভিন্ন ধরনের সুবিধা দেওয়া হয়। পাশাপাশি নিয়মিত মাসোহারা দেওয়ার কথাও শোনা যায়। এসব কারণে তারা প্রকাশ্যেই মাদক ব্যবসা পরিচালনা করছে বলে দাবি এলাকাবাসীর।
জানা গেছে, পাইকারি থেকে খুচরা পর্যায় পর্যন্ত তাদের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক রয়েছে, যেখানে শতাধিক সরবরাহকারী কাজ করছে। হেরোইন, ফেনসিডিল, ইয়াবা, গাঁজা এবং দেশি-বিদেশি মদসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক তাদের কাছে মজুদ থাকে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, পাগলা তালতলা নদীর ঘাট থেকে শুরু করে বিভিন্ন অলিগলিতে সহজেই মাদক পাওয়া যাচ্ছে। ফলে দিন দিন মাদকসেবীর সংখ্যা বাড়ছে এবং এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে অপরাধপ্রবণতাও।

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
জুলাই আন্দোলনের পর হাসিনা সরকারের পতনের পর কুতুবপুরবাসী আশা করেছিলেন এলাকায় মাদকের প্রভাব কমবে। কিন্তু বাস্তবে পাগলা-কুতুবপুর এলাকায় মাদকের বিস্তার আরও বেড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে, যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে বাড়ছে হতাশা।
স্থানীয়দের দাবি, আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় এখন মাদক সহজলভ্য। মাদককেন্দ্রিক আধিপত্য বিস্তারকে ঘিরে প্রায়ই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে, এমনকি গোলাগুলির ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে।
এলাকার মাদক ব্যবসা নিয়ে আলোচনা উঠলেই সামনে আসে আক্তার ওরফে কিলার আক্তার, লিখন, মিঠুন ও ডেভিডের নাম। স্থানীয় একাধিক সূত্রের অভিযোগ, প্রভাবশালী একটি মহলের ছত্রছায়ায় তারা এ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
অভিযোগ রয়েছে, ওই মহলকে ম্যানেজ করতে নগদ অর্থ, দামি মোবাইল ফোন ও গাড়ি কেনার ডাউনপেমেন্টসহ বিভিন্ন ধরনের সুবিধা দেওয়া হয়। পাশাপাশি নিয়মিত মাসোহারা দেওয়ার কথাও শোনা যায়। এসব কারণে তারা প্রকাশ্যেই মাদক ব্যবসা পরিচালনা করছে বলে দাবি এলাকাবাসীর।
জানা গেছে, পাইকারি থেকে খুচরা পর্যায় পর্যন্ত তাদের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক রয়েছে, যেখানে শতাধিক সরবরাহকারী কাজ করছে। হেরোইন, ফেনসিডিল, ইয়াবা, গাঁজা এবং দেশি-বিদেশি মদসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক তাদের কাছে মজুদ থাকে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, পাগলা তালতলা নদীর ঘাট থেকে শুরু করে বিভিন্ন অলিগলিতে সহজেই মাদক পাওয়া যাচ্ছে। ফলে দিন দিন মাদকসেবীর সংখ্যা বাড়ছে এবং এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে অপরাধপ্রবণতাও।

আপনার মতামত লিখুন