নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানায় হত্যাচেষ্টার মামলায় আটক এক আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা পুলিশ। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন জেলা পুলিশের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার (‘গ’ সার্কেল) মেহেদী ইসলাম।
তিনি জানান, সংঘবদ্ধ হামলা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি থানা হেফাজত থেকে কীভাবে পালিয়ে গেল—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একইসঙ্গে তাকে পুনরায় গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার ইসমাঈল (৩০) নামে এক যুবককে আটক করে আড়াইহাজার থানায় আনা হয়। পরে থানার ভেতরে পুলিশ সদস্যদের অসাবধানতার সুযোগ নিয়ে তিনি কৌশলে পালিয়ে যান। ইসমাঈল উপজেলার চরকমলাপুর এলাকার হাবিবুল্লাহর ছেলে।
মামলার নথি অনুযায়ী, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গত ২৩ মার্চ বিল্লাল হোসেন ও তার পরিবারের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বিল্লাল বাদী হয়ে আড়াইহাজার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন, যেখানে ১৩ জনকে এজাহারনামীয় আসামি করা হয়। ইসমাঈলও ওই মামলার একজন আসামি।
থানা সূত্র জানায়, উপপরিদর্শক (এসআই) অজিত কুমারের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। পরে থানায় এনে সেকেন্ড অফিসার এসআই জহিরুল ইসলামের কক্ষে বসানো হলে একপর্যায়ে সেখান থেকে পালিয়ে যান তিনি।
এ বিষয়ে এসআই অজিত কুমার বলেন, আসামিকে থানায় রেখে তিনি বাইরে গেলে ফিরে এসে আর তাকে পাননি। তবে তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। অন্যদিকে, এসআই জহিরুল ইসলাম এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে দাবি করেছেন।
জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। কারও গাফিলতি প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানায় হত্যাচেষ্টার মামলায় আটক এক আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা পুলিশ। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন জেলা পুলিশের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার (‘গ’ সার্কেল) মেহেদী ইসলাম।
তিনি জানান, সংঘবদ্ধ হামলা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি থানা হেফাজত থেকে কীভাবে পালিয়ে গেল—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একইসঙ্গে তাকে পুনরায় গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার ইসমাঈল (৩০) নামে এক যুবককে আটক করে আড়াইহাজার থানায় আনা হয়। পরে থানার ভেতরে পুলিশ সদস্যদের অসাবধানতার সুযোগ নিয়ে তিনি কৌশলে পালিয়ে যান। ইসমাঈল উপজেলার চরকমলাপুর এলাকার হাবিবুল্লাহর ছেলে।
মামলার নথি অনুযায়ী, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গত ২৩ মার্চ বিল্লাল হোসেন ও তার পরিবারের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বিল্লাল বাদী হয়ে আড়াইহাজার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন, যেখানে ১৩ জনকে এজাহারনামীয় আসামি করা হয়। ইসমাঈলও ওই মামলার একজন আসামি।
থানা সূত্র জানায়, উপপরিদর্শক (এসআই) অজিত কুমারের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। পরে থানায় এনে সেকেন্ড অফিসার এসআই জহিরুল ইসলামের কক্ষে বসানো হলে একপর্যায়ে সেখান থেকে পালিয়ে যান তিনি।
এ বিষয়ে এসআই অজিত কুমার বলেন, আসামিকে থানায় রেখে তিনি বাইরে গেলে ফিরে এসে আর তাকে পাননি। তবে তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। অন্যদিকে, এসআই জহিরুল ইসলাম এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে দাবি করেছেন।
জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। কারও গাফিলতি প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন