স্টাফ রিপোর্টার | নারায়ণগঞ্জ
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বক্তাবলী বাজারে অবস্থিত একটি ফার্মেসিকে কেন্দ্র করে মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ ফেরত দিতে গিয়ে এক ক্রেতাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, লামিয়া ফার্মেসীতে মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ ফেরত দিতে গেলে মালিক পক্ষের লোকজনের সঙ্গে ক্রেতার বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে খোরশেদ আলম, হাসেম আলীসহ কয়েকজন মিলে ওই ক্রেতাকে মারধর করে আহত করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, উক্ত ফার্মেসীতে নিম্নমানের ও মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ বিক্রি এবং ক্রেতাদের সঙ্গে খারাপ আচরণের অভিযোগ আগেও ছিল।
মারিয়া সুলতানা নামে এক নারী বলেন, “আমি আমার বাচ্চার জন্য ঔষধ কিনেছিলাম। বাসায় গিয়ে দেখি ঔষধটি নষ্ট। পরে দোকানে নিয়ে গেলে তারা সেটি পরিবর্তন করে দেয়নি।”
উজ্জ্বল হোসাইন বলেন, “দোকান মালিকের ব্যবহার অনেক খারাপ। এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার হওয়া উচিত।”
দিন ইসলাম নামে আরেকজন বলেন, “মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ বিক্রি করা গুরুতর অপরাধ। সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা উচিত।”
বিল্লাল হোসাইন দাবি করেন, “আলগীর নামে এক প্রবাসী যুবককে মারধর করে তার হাত ভেঙে দেওয়া হয়েছে। আমরা এর সঠিক বিচার চাই।”
আশরাফুল আলম মুকুল বলেন, “এই ফার্মেসীর বিরুদ্ধে আগেও নানা অভিযোগ ছিল। ক্রেতাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ ও ঔষধ ফেরত না নেওয়ার অভিযোগ নতুন নয়।”
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে, সাইদুর রহমান বাচ্চু বলেন, “বাজার ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনা জরুরি। ক্রেতাদের অভিযোগ থাকলে তা নিয়মতান্ত্রিকভাবে সমাধান করা উচিত। আশা করি বিষয়টি সামাজিকভাবে সমাধান হবে।”
সচেতন মহল বলছে, এ ধরনের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে সাধারণ মানুষের আস্থা নষ্ট হতে পারে।

বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ এপ্রিল ২০২৬
স্টাফ রিপোর্টার | নারায়ণগঞ্জ
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বক্তাবলী বাজারে অবস্থিত একটি ফার্মেসিকে কেন্দ্র করে মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ ফেরত দিতে গিয়ে এক ক্রেতাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, লামিয়া ফার্মেসীতে মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ ফেরত দিতে গেলে মালিক পক্ষের লোকজনের সঙ্গে ক্রেতার বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে খোরশেদ আলম, হাসেম আলীসহ কয়েকজন মিলে ওই ক্রেতাকে মারধর করে আহত করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, উক্ত ফার্মেসীতে নিম্নমানের ও মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ বিক্রি এবং ক্রেতাদের সঙ্গে খারাপ আচরণের অভিযোগ আগেও ছিল।
মারিয়া সুলতানা নামে এক নারী বলেন, “আমি আমার বাচ্চার জন্য ঔষধ কিনেছিলাম। বাসায় গিয়ে দেখি ঔষধটি নষ্ট। পরে দোকানে নিয়ে গেলে তারা সেটি পরিবর্তন করে দেয়নি।”
উজ্জ্বল হোসাইন বলেন, “দোকান মালিকের ব্যবহার অনেক খারাপ। এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার হওয়া উচিত।”
দিন ইসলাম নামে আরেকজন বলেন, “মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ বিক্রি করা গুরুতর অপরাধ। সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা উচিত।”
বিল্লাল হোসাইন দাবি করেন, “আলগীর নামে এক প্রবাসী যুবককে মারধর করে তার হাত ভেঙে দেওয়া হয়েছে। আমরা এর সঠিক বিচার চাই।”
আশরাফুল আলম মুকুল বলেন, “এই ফার্মেসীর বিরুদ্ধে আগেও নানা অভিযোগ ছিল। ক্রেতাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ ও ঔষধ ফেরত না নেওয়ার অভিযোগ নতুন নয়।”
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে, সাইদুর রহমান বাচ্চু বলেন, “বাজার ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনা জরুরি। ক্রেতাদের অভিযোগ থাকলে তা নিয়মতান্ত্রিকভাবে সমাধান করা উচিত। আশা করি বিষয়টি সামাজিকভাবে সমাধান হবে।”
সচেতন মহল বলছে, এ ধরনের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে সাধারণ মানুষের আস্থা নষ্ট হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন