নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান নগরীকে পরিকল্পিত ও আধুনিক শহরে রূপান্তরের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। তিনি সড়ক দখলমুক্ত করা, যানজট কমানো এবং ৩২টি খাল পুনঃখনন ও দখলমুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
বুধবার (১ এপ্রিল) বন্দর উপজেলার কদম রসুল পৌরসভা কার্যালয়ে প্রথম কর্মদিবস শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
প্রশাসক বলেন, শিল্পনগরী হিসেবে পরিচিত নারায়ণগঞ্জ বর্তমানে নানা সমস্যায় জর্জরিত। দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি শহরটিকে অপরিচ্ছন্ন, বিশৃঙ্খল ও অপরিকল্পিত অবস্থায় পেয়েছেন। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সড়ক দখলমুক্তকরণ এবং যানজট নিরসনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন ৩২টি খাল তাদের স্বাভাবিক প্রবাহ হারিয়েছে। এসব খাল পুনঃখনন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা এবং দখলমুক্ত করতে দ্রুত কার্যক্রম শুরু করা হবে।
পানিসংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পুরনো ও অকার্যকর পাইপলাইনের কারণে নগরবাসী দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তিতে রয়েছে। এ সমস্যা সমাধানে পুরনো লাইন পরিবর্তন, নতুন পাম্প স্থাপন এবং ভবিষ্যতে মেঘনা নদী থেকে পানি এনে সরবরাহের একটি বড় প্রকল্প হাতে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
এছাড়া, ভাঙাচোরা সড়ক সংস্কার, যানজট নিরসনে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং শিশু-কিশোরদের জন্য নতুন খেলার মাঠ নির্মাণের কথাও জানান তিনি।
সামাজিক শৃঙ্খলা ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে প্রশাসক বলেন, সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসন সক্রিয় থাকবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নূর কুতুবুল আলম, সাবেক কাউন্সিলর আবুল কাউসার আশা, শাহেনশাহ আহমেদ, সুলতান আহমদসহ স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা।
পরে নাসিকের ২১, ২২ ও ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে বিশেষ মশা নিধন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান।

বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ এপ্রিল ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান নগরীকে পরিকল্পিত ও আধুনিক শহরে রূপান্তরের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। তিনি সড়ক দখলমুক্ত করা, যানজট কমানো এবং ৩২টি খাল পুনঃখনন ও দখলমুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
বুধবার (১ এপ্রিল) বন্দর উপজেলার কদম রসুল পৌরসভা কার্যালয়ে প্রথম কর্মদিবস শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
প্রশাসক বলেন, শিল্পনগরী হিসেবে পরিচিত নারায়ণগঞ্জ বর্তমানে নানা সমস্যায় জর্জরিত। দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি শহরটিকে অপরিচ্ছন্ন, বিশৃঙ্খল ও অপরিকল্পিত অবস্থায় পেয়েছেন। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সড়ক দখলমুক্তকরণ এবং যানজট নিরসনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন ৩২টি খাল তাদের স্বাভাবিক প্রবাহ হারিয়েছে। এসব খাল পুনঃখনন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা এবং দখলমুক্ত করতে দ্রুত কার্যক্রম শুরু করা হবে।
পানিসংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পুরনো ও অকার্যকর পাইপলাইনের কারণে নগরবাসী দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তিতে রয়েছে। এ সমস্যা সমাধানে পুরনো লাইন পরিবর্তন, নতুন পাম্প স্থাপন এবং ভবিষ্যতে মেঘনা নদী থেকে পানি এনে সরবরাহের একটি বড় প্রকল্প হাতে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
এছাড়া, ভাঙাচোরা সড়ক সংস্কার, যানজট নিরসনে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং শিশু-কিশোরদের জন্য নতুন খেলার মাঠ নির্মাণের কথাও জানান তিনি।
সামাজিক শৃঙ্খলা ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে প্রশাসক বলেন, সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসন সক্রিয় থাকবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নূর কুতুবুল আলম, সাবেক কাউন্সিলর আবুল কাউসার আশা, শাহেনশাহ আহমেদ, সুলতান আহমদসহ স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা।
পরে নাসিকের ২১, ২২ ও ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে বিশেষ মশা নিধন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান।

আপনার মতামত লিখুন