নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় নদীদূষণ বন্ধে তিনটি কারখানায় অভিযান চালিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। একই অভিযানে শব্দদূষণের দায়ে একটি প্রতিষ্ঠানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সদর উপজেলার ফতুল্লা থানার পোস্ট অফিস রোড এলাকায় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার তাবাসসুম হাসান তানিশার নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়। এতে জেলা পুলিশ, ডিপিডিসি এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা অংশ নেন।
পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, ইটিপি (এফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট) ছাড়াই তরল বর্জ্য নিঃসরণ করায় তিনটি কারখানার বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়। এর মধ্যে খান ব্রাদার্স টেক্সটাইল মিল লিমিটেডের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা চলমান থাকায় গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা সম্ভব হয়নি।
এছাড়া সেনা কল্যাণ সংস্থার আরএসকে ডাইং দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় এবং গ্যাস সংযোগ না থাকায় প্রতিষ্ঠানটির ক্ষেত্রেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অন্যদিকে, কর্ণফুলি টেক্সটাইল মিলসের সংযোগ আগেই বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল; সেটি পুনরায় চালু হয়েছে কি না, তা তদারকি করা হয়।
অভিযানকালে সংশ্লিষ্ট কারখানাগুলোকে ইটিপি স্থাপন, দূষণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং পরিবেশগত ছাড়পত্র গ্রহণ না করা পর্যন্ত উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
এদিকে একই এলাকায় শব্দদূষণের অভিযোগে মেসার্স সাকুরা রি-রোলিং অ্যান্ড স্টিল মিলস লিমিটেডে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। প্রতিষ্ঠানটি শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫ লঙ্ঘন করেছে বলে জানা গেছে।
অভিযানে পরিবেশ অধিদপ্তর নারায়ণগঞ্জ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. মোবারক হোসেন, মো. রাসেল মাহমুদ এবং পরিদর্শক টিটু বড়ুয়া উপস্থিত ছিলেন।
পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, নারায়ণগঞ্জে দূষণকারী কারখানা ও প্রকল্পের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় নদীদূষণ বন্ধে তিনটি কারখানায় অভিযান চালিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। একই অভিযানে শব্দদূষণের দায়ে একটি প্রতিষ্ঠানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সদর উপজেলার ফতুল্লা থানার পোস্ট অফিস রোড এলাকায় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার তাবাসসুম হাসান তানিশার নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়। এতে জেলা পুলিশ, ডিপিডিসি এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা অংশ নেন।
পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, ইটিপি (এফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট) ছাড়াই তরল বর্জ্য নিঃসরণ করায় তিনটি কারখানার বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়। এর মধ্যে খান ব্রাদার্স টেক্সটাইল মিল লিমিটেডের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা চলমান থাকায় গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা সম্ভব হয়নি।
এছাড়া সেনা কল্যাণ সংস্থার আরএসকে ডাইং দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় এবং গ্যাস সংযোগ না থাকায় প্রতিষ্ঠানটির ক্ষেত্রেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অন্যদিকে, কর্ণফুলি টেক্সটাইল মিলসের সংযোগ আগেই বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল; সেটি পুনরায় চালু হয়েছে কি না, তা তদারকি করা হয়।
অভিযানকালে সংশ্লিষ্ট কারখানাগুলোকে ইটিপি স্থাপন, দূষণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং পরিবেশগত ছাড়পত্র গ্রহণ না করা পর্যন্ত উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
এদিকে একই এলাকায় শব্দদূষণের অভিযোগে মেসার্স সাকুরা রি-রোলিং অ্যান্ড স্টিল মিলস লিমিটেডে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। প্রতিষ্ঠানটি শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫ লঙ্ঘন করেছে বলে জানা গেছে।
অভিযানে পরিবেশ অধিদপ্তর নারায়ণগঞ্জ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. মোবারক হোসেন, মো. রাসেল মাহমুদ এবং পরিদর্শক টিটু বড়ুয়া উপস্থিত ছিলেন।
পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, নারায়ণগঞ্জে দূষণকারী কারখানা ও প্রকল্পের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন