বি পি নিউজ ২৪

মন্ডলপাড়ার ‘জ্বিনের মসজিদ’ সংরক্ষণে উদ্যোগের ইঙ্গিত ডিসির


প্রকাশ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

মন্ডলপাড়ার ‘জ্বিনের মসজিদ’ সংরক্ষণে উদ্যোগের ইঙ্গিত ডিসির

নারায়ণগঞ্জ শহরের মন্ডলপাড়া এলাকার এক গম্বুজবিশিষ্ট প্রাচীন মসজিদটি ঘিরে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রায় ৪০০ বছরের পুরোনো এই স্থাপনাটি যথাযথ তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির।

রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেলে মসজিদটি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান। এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সিফাত উদ্দিন, সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম ফয়েজ উদ্দিন এবং সহকারী কমিশনার আরিফ ইশতিয়াক উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয়দের কাছে ‘জ্বিনের মসজিদ’ নামে পরিচিত এই স্থাপনাটি একটি গম্বুজবিশিষ্ট ছোট মসজিদ। পরবর্তীতে এর চারপাশে নতুন মসজিদ নির্মাণ করা হলেও পুরোনো অংশটি অক্ষত রাখা হয়েছে। সম্প্রতি পাশেই জেলা মডেল মসজিদ নির্মিত হলেও এই প্রাচীন স্থাপনাটি ভাঙা হয়নি।

জেলা প্রশাসক জানান, মসজিদটি নিয়ে বিভিন্ন জনশ্রুতি রয়েছে, এমনকি ১৪৮২ সালে নির্মিত হওয়ার কথাও শোনা যায়। তবে এখন পর্যন্ত এর সুনির্দিষ্ট ইতিহাস বা প্রত্নতাত্ত্বিক স্বীকৃতি পাওয়া যায়নি। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তালিকাতেও এটি অন্তর্ভুক্ত নয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি বলেন, ইতিহাসবিদ ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে মসজিদটির প্রকৃত ইতিহাস যাচাই করা হবে। পর্যাপ্ত তথ্য পাওয়া গেলে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মাধ্যমে সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এছাড়া, ভবিষ্যতে এটিকে জেলার পর্যটন খাতের সঙ্গে যুক্ত করার সম্ভাবনাও রয়েছে বলে জানান ডিসি। তিনি বলেন, এ ধরনের ঐতিহাসিক স্থাপনা সংরক্ষণ করা গেলে জেলার ঐতিহ্য আরও সমৃদ্ধ হবে।

আপনার মতামত লিখুন

বি পি নিউজ ২৪

সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬


মন্ডলপাড়ার ‘জ্বিনের মসজিদ’ সংরক্ষণে উদ্যোগের ইঙ্গিত ডিসির

প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

নারায়ণগঞ্জ শহরের মন্ডলপাড়া এলাকার এক গম্বুজবিশিষ্ট প্রাচীন মসজিদটি ঘিরে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রায় ৪০০ বছরের পুরোনো এই স্থাপনাটি যথাযথ তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির।

রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেলে মসজিদটি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান। এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সিফাত উদ্দিন, সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম ফয়েজ উদ্দিন এবং সহকারী কমিশনার আরিফ ইশতিয়াক উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয়দের কাছে ‘জ্বিনের মসজিদ’ নামে পরিচিত এই স্থাপনাটি একটি গম্বুজবিশিষ্ট ছোট মসজিদ। পরবর্তীতে এর চারপাশে নতুন মসজিদ নির্মাণ করা হলেও পুরোনো অংশটি অক্ষত রাখা হয়েছে। সম্প্রতি পাশেই জেলা মডেল মসজিদ নির্মিত হলেও এই প্রাচীন স্থাপনাটি ভাঙা হয়নি।

জেলা প্রশাসক জানান, মসজিদটি নিয়ে বিভিন্ন জনশ্রুতি রয়েছে, এমনকি ১৪৮২ সালে নির্মিত হওয়ার কথাও শোনা যায়। তবে এখন পর্যন্ত এর সুনির্দিষ্ট ইতিহাস বা প্রত্নতাত্ত্বিক স্বীকৃতি পাওয়া যায়নি। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তালিকাতেও এটি অন্তর্ভুক্ত নয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি বলেন, ইতিহাসবিদ ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে মসজিদটির প্রকৃত ইতিহাস যাচাই করা হবে। পর্যাপ্ত তথ্য পাওয়া গেলে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মাধ্যমে সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এছাড়া, ভবিষ্যতে এটিকে জেলার পর্যটন খাতের সঙ্গে যুক্ত করার সম্ভাবনাও রয়েছে বলে জানান ডিসি। তিনি বলেন, এ ধরনের ঐতিহাসিক স্থাপনা সংরক্ষণ করা গেলে জেলার ঐতিহ্য আরও সমৃদ্ধ হবে।


বি পি নিউজ ২৪

সম্পাদক ও প্রকাশক: আরিফুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বি পি নিউজ