নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর সাত বছর বয়সী এক মাদ্রাসা ছাত্রের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে কাশীপুরের উত্তর নরসিংহপুর এলাকার একটি পরিত্যক্ত স্থান থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা মরদেহটি দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দিলে ফতুল্লা মডেল থানার একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে।
নিহত শিশুটির নাম সৈকত (৭)। সে গাইবান্ধা জেলার রঞ্জু মিয়ার ছেলে এবং ফতুল্লার একটি স্থানীয় মাদ্রাসার শিক্ষার্থী।
পুলিশ জানায়, রোববার দুপুরের পর থেকে নিখোঁজ ছিল সৈকত। পরে রাতে তার পরিবার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে।
ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মান্নান জানান, মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হচ্ছে। পরবর্তীতে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।
তিনি আরও বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।
ঘটনার পর এলাকায় উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত হত্যার রহস্য উদঘাটন ও দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।

সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর সাত বছর বয়সী এক মাদ্রাসা ছাত্রের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে কাশীপুরের উত্তর নরসিংহপুর এলাকার একটি পরিত্যক্ত স্থান থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা মরদেহটি দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দিলে ফতুল্লা মডেল থানার একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে।
নিহত শিশুটির নাম সৈকত (৭)। সে গাইবান্ধা জেলার রঞ্জু মিয়ার ছেলে এবং ফতুল্লার একটি স্থানীয় মাদ্রাসার শিক্ষার্থী।
পুলিশ জানায়, রোববার দুপুরের পর থেকে নিখোঁজ ছিল সৈকত। পরে রাতে তার পরিবার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে।
ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মান্নান জানান, মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হচ্ছে। পরবর্তীতে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।
তিনি আরও বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।
ঘটনার পর এলাকায় উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত হত্যার রহস্য উদঘাটন ও দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন