নারায়ণগঞ্জে যুবক শুভ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জেলা এনসিপি। সংগঠনটির মতে, এ ধরনের ধারাবাহিক হত্যাকাণ্ড বিচারহীনতার সংস্কৃতিকে আরও উসকে দিচ্ছে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির ইঙ্গিত বহন করছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) দেওয়া এক বিবৃতিতে এনসিপি জানায়, শুভ (২১) হত্যার শুরুতে তাকে গুম করা হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হলেও প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি। পরবর্তীতে নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার হলেও ময়নাতদন্ত বা পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ ছাড়াই দাফন সম্পন্ন করার অভিযোগ উঠে, যা প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন সৃষ্টি করেছে।
সংগঠনটি দাবি করে, অতীতের কিছু ঘটনার মতোই প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা ও অপরাধীদের প্রতি উদাসীনতা আবারও দৃশ্যমান হচ্ছে। তারা উল্লেখ করে, শীতলক্ষ্যা নদী পুনরায় লাশ ফেলার স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে—যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
এনসিপি প্রশ্ন তোলে, বর্তমান পরিস্থিতি কি দেশের প্রত্যাশিত বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ? তারা জানায়, বিচারহীনতার এই সংস্কৃতির বিরুদ্ধে তারা ধারাবাহিকভাবে সোচ্চার থাকবে।
বিবৃতিতে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করে নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জোর দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জকে নিরাপদ ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে অপরাধ ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সংগঠনটি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং নিরাপদ নারায়ণগঞ্জ গঠনে তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।

মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬
নারায়ণগঞ্জে যুবক শুভ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জেলা এনসিপি। সংগঠনটির মতে, এ ধরনের ধারাবাহিক হত্যাকাণ্ড বিচারহীনতার সংস্কৃতিকে আরও উসকে দিচ্ছে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির ইঙ্গিত বহন করছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) দেওয়া এক বিবৃতিতে এনসিপি জানায়, শুভ (২১) হত্যার শুরুতে তাকে গুম করা হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হলেও প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি। পরবর্তীতে নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার হলেও ময়নাতদন্ত বা পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ ছাড়াই দাফন সম্পন্ন করার অভিযোগ উঠে, যা প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন সৃষ্টি করেছে।
সংগঠনটি দাবি করে, অতীতের কিছু ঘটনার মতোই প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা ও অপরাধীদের প্রতি উদাসীনতা আবারও দৃশ্যমান হচ্ছে। তারা উল্লেখ করে, শীতলক্ষ্যা নদী পুনরায় লাশ ফেলার স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে—যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
এনসিপি প্রশ্ন তোলে, বর্তমান পরিস্থিতি কি দেশের প্রত্যাশিত বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ? তারা জানায়, বিচারহীনতার এই সংস্কৃতির বিরুদ্ধে তারা ধারাবাহিকভাবে সোচ্চার থাকবে।
বিবৃতিতে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করে নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জোর দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জকে নিরাপদ ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে অপরাধ ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সংগঠনটি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং নিরাপদ নারায়ণগঞ্জ গঠনে তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।

আপনার মতামত লিখুন