নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কনফারেন্স রুমে বুধবার (৮ এপ্রিল) নগরের বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় হকার উচ্ছেদ ও নগরের টেকসই উন্নয়ন নিয়ে গুরুত্বারোপ করেন ব্যবসায়ী নেতা মোরশেদ সারোয়ার সোহেল।
তিনি বলেন, হকার উচ্ছেদ কোনো স্বল্পমেয়াদি পদক্ষেপে স্থায়ীভাবে সমাধান করা সম্ভব নয়। অতীতে এমন উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি এবং পরিস্থিতি দ্রুত আগের অবস্থায় ফিরে গেছে। এ কারণে তিনি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ এবং ধারাবাহিকভাবে তা বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন।
সোহেলের ভাষ্য অনুযায়ী, নগরে প্রায় দুই হাজার হকার থাকলেও তাদের কার্যক্রমের কারণে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক মানুষের চলাচল ও ব্যবসা-বাণিজ্যে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। তবে হকারদের জীবিকার বিষয়টি স্বীকার করে তিনি বলেন, তাদের জন্য বিকল্প স্থানে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।
বিদেশের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি উল্লেখ করেন, অনেক দেশে নির্দিষ্ট স্থান ও নির্দিষ্ট দিনে হকার বসার ব্যবস্থা রয়েছে, যা অনুসরণ করলে এ সমস্যার কার্যকর সমাধান সম্ভব হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, এই সমস্যা কোনো একক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমাধান করা সম্ভব নয়। সিটি করপোরেশন, প্রশাসন, রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী সংগঠনসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। যানজট নিরসনে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি জানান, বিশেষ করে রমজান মাসে স্বেচ্ছাসেবীরা সিটি করপোরেশনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করেছে।
এছাড়া ওয়াসার পানির সংকট ও শীতলক্ষ্যা নদীর দূষণ রোধে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান সোহেল। তিনি বলেন, কলকারখানা ও মিলের ডাইং কেমিক্যাল বর্জ্য শনাক্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে বিকেএমইএ ও চেম্বার সিটি করপোরেশনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে বলেও তিনি আশ্বাস

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কনফারেন্স রুমে বুধবার (৮ এপ্রিল) নগরের বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় হকার উচ্ছেদ ও নগরের টেকসই উন্নয়ন নিয়ে গুরুত্বারোপ করেন ব্যবসায়ী নেতা মোরশেদ সারোয়ার সোহেল।
তিনি বলেন, হকার উচ্ছেদ কোনো স্বল্পমেয়াদি পদক্ষেপে স্থায়ীভাবে সমাধান করা সম্ভব নয়। অতীতে এমন উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি এবং পরিস্থিতি দ্রুত আগের অবস্থায় ফিরে গেছে। এ কারণে তিনি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ এবং ধারাবাহিকভাবে তা বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন।
সোহেলের ভাষ্য অনুযায়ী, নগরে প্রায় দুই হাজার হকার থাকলেও তাদের কার্যক্রমের কারণে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক মানুষের চলাচল ও ব্যবসা-বাণিজ্যে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। তবে হকারদের জীবিকার বিষয়টি স্বীকার করে তিনি বলেন, তাদের জন্য বিকল্প স্থানে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।
বিদেশের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি উল্লেখ করেন, অনেক দেশে নির্দিষ্ট স্থান ও নির্দিষ্ট দিনে হকার বসার ব্যবস্থা রয়েছে, যা অনুসরণ করলে এ সমস্যার কার্যকর সমাধান সম্ভব হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, এই সমস্যা কোনো একক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমাধান করা সম্ভব নয়। সিটি করপোরেশন, প্রশাসন, রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী সংগঠনসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। যানজট নিরসনে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি জানান, বিশেষ করে রমজান মাসে স্বেচ্ছাসেবীরা সিটি করপোরেশনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করেছে।
এছাড়া ওয়াসার পানির সংকট ও শীতলক্ষ্যা নদীর দূষণ রোধে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান সোহেল। তিনি বলেন, কলকারখানা ও মিলের ডাইং কেমিক্যাল বর্জ্য শনাক্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে বিকেএমইএ ও চেম্বার সিটি করপোরেশনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে বলেও তিনি আশ্বাস

আপনার মতামত লিখুন