নারায়ণগঞ্জে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নতুন জেলা কমিটি গঠন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে জোর আলোচনা ও গুঞ্জন। দলটির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীদের মধ্যে চলছে দৌড়ঝাঁপ, লবিং ও অভ্যন্তরীণ সমীকরণ। এরই মধ্যে সম্ভাব্য নেতৃত্বে উঠে এসেছে একটি ‘সুপার ফাইভ’ তালিকা, যা ঘিরে স্থানীয় রাজনীতিতে তৈরি হয়েছে ব্যাপক কৌতূহল ও বিতর্ক।
সূত্র মতে, আলোচনায় থাকা এই ‘সুপার ফাইভ’-এ রয়েছেন গোলাম রাব্বানী প্রান্ত, মোঃ, শামিম, আল আমিন বিন কবির, শেখ তালহা এবং সামিউল সিনহা। প্রত্যেকেই নিজ নিজ অবস্থান থেকে দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং বিভিন্ন সময় কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন।
জানা গেছে, সম্ভাব্য সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদকে কেন্দ্র করেই মূলত এই পাঁচজনের মধ্যে প্রতিযোগিতা তীব্র হয়েছে। গোলাম রাব্বানীকে তুলনামূলক অভিজ্ঞ ও সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী হিসেবে দেখা হচ্ছে। দীর্ঘদিন মাঠে সক্রিয় থাকার কারণে তার পক্ষে একটি শক্তিশালী লবি কাজ করছে বলে জানা যায়।
অন্যদিকে শামিম ও আল আমিন বিন কবিরকে অনেকেই ‘ডার্ক হর্স’ হিসেবে দেখছেন। হঠাৎ করেই তার নাম শীর্ষ তালিকায় উঠে আসায় রাজনৈতিক মহলে তৈরি হয়েছে নতুন সমীকরণ।
শেখ তালহা ও সামিউল সিনহাও কম যান না। তারা দুজনই বিভিন্ন সময়ে সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিয়ে নিজেদের অবস্থান শক্ত করেছেন।
সংগঠনটি নিষিদ্ধ ঘোষিত হলেও মাঠ পর্যায়ে তাদের প্রভাব ও নেটওয়ার্ক এখনো পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় হয়নি। ফলে নতুন কমিটি গঠনের আলোচনা মূলত অভ্যন্তরীণ নেতৃত্ব পুনর্বিন্যাসের একটি অংশ হতে পারে।
এদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যেও এ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ বলছেন, নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম পুনরুজ্জীবিত হওয়ার চেষ্টা উদ্বেগজনক। আবার কেউ এটিকে কেবল রাজনৈতিক কৌশল হিসেবেই দেখছেন।
এ বিষয়ে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী জানান,নিষিদ্ধ সংগঠনের যেকোনো ধরনের কার্যক্রম কঠোর নজরদারিতে রাখা হচ্ছে।

শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬
নারায়ণগঞ্জে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নতুন জেলা কমিটি গঠন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে জোর আলোচনা ও গুঞ্জন। দলটির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীদের মধ্যে চলছে দৌড়ঝাঁপ, লবিং ও অভ্যন্তরীণ সমীকরণ। এরই মধ্যে সম্ভাব্য নেতৃত্বে উঠে এসেছে একটি ‘সুপার ফাইভ’ তালিকা, যা ঘিরে স্থানীয় রাজনীতিতে তৈরি হয়েছে ব্যাপক কৌতূহল ও বিতর্ক।
সূত্র মতে, আলোচনায় থাকা এই ‘সুপার ফাইভ’-এ রয়েছেন গোলাম রাব্বানী প্রান্ত, মোঃ, শামিম, আল আমিন বিন কবির, শেখ তালহা এবং সামিউল সিনহা। প্রত্যেকেই নিজ নিজ অবস্থান থেকে দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং বিভিন্ন সময় কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন।
জানা গেছে, সম্ভাব্য সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদকে কেন্দ্র করেই মূলত এই পাঁচজনের মধ্যে প্রতিযোগিতা তীব্র হয়েছে। গোলাম রাব্বানীকে তুলনামূলক অভিজ্ঞ ও সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী হিসেবে দেখা হচ্ছে। দীর্ঘদিন মাঠে সক্রিয় থাকার কারণে তার পক্ষে একটি শক্তিশালী লবি কাজ করছে বলে জানা যায়।
অন্যদিকে শামিম ও আল আমিন বিন কবিরকে অনেকেই ‘ডার্ক হর্স’ হিসেবে দেখছেন। হঠাৎ করেই তার নাম শীর্ষ তালিকায় উঠে আসায় রাজনৈতিক মহলে তৈরি হয়েছে নতুন সমীকরণ।
শেখ তালহা ও সামিউল সিনহাও কম যান না। তারা দুজনই বিভিন্ন সময়ে সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিয়ে নিজেদের অবস্থান শক্ত করেছেন।
সংগঠনটি নিষিদ্ধ ঘোষিত হলেও মাঠ পর্যায়ে তাদের প্রভাব ও নেটওয়ার্ক এখনো পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় হয়নি। ফলে নতুন কমিটি গঠনের আলোচনা মূলত অভ্যন্তরীণ নেতৃত্ব পুনর্বিন্যাসের একটি অংশ হতে পারে।
এদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যেও এ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ বলছেন, নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম পুনরুজ্জীবিত হওয়ার চেষ্টা উদ্বেগজনক। আবার কেউ এটিকে কেবল রাজনৈতিক কৌশল হিসেবেই দেখছেন।
এ বিষয়ে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী জানান,নিষিদ্ধ সংগঠনের যেকোনো ধরনের কার্যক্রম কঠোর নজরদারিতে রাখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন