নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ফুটপাত থেকে হকার উচ্ছেদের ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন গণসংহতি আন্দোলন, নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সমন্বয়কারী মো. বিপ্লব খাঁন। তিনি মনে করেন, ফুটপাত দখলমুক্ত করা একটি আধুনিক, নিরাপদ ও মানবিক শহর গড়ার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
রোববার (১২ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বিপ্লব খাঁন বলেন, ফুটপাত মূলত পথচারীদের চলাচলের জন্য নির্ধারিত হলেও বর্তমানে তা বিভিন্ন স্টল, চৌকি, যানবাহন ও অস্থায়ী স্থাপনায় দখল হয়ে গেছে। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রশ্রয় ও প্রশাসনিক দুর্বলতার কারণে এই সমস্যা জটিল আকার ধারণ করেছে।
তিনি আরও বলেন, এই উদ্যোগ কোনো ব্যক্তি বা পেশার বিরুদ্ধে নয়; বরং নাগরিকদের নিরাপদে হাঁটার অধিকার নিশ্চিত করার প্রয়াস। তবে হকার ও অটোরিকশা চালকদের জন্য বিকল্প জীবিকার ব্যবস্থা ছাড়া উচ্ছেদ অভিযান চালালে স্থায়ী সমাধান আসবে না এবং এতে সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে।
বিবৃতিতে সমস্যার পেছনে অনিয়ন্ত্রিত লাইসেন্স ব্যবস্থা, নির্দিষ্ট রুট ও জোনিং নীতির অভাব, বিকল্প কর্মসংস্থানের সীমাবদ্ধতা, প্রশাসনিক সমন্বয়ের ঘাটতি এবং দীর্ঘমেয়াদি নগর পরিকল্পনার অভাবকে দায়ী করেন বিপ্লব খাঁন।
সমাধান হিসেবে তিনি তিন ধাপের একটি পরিকল্পনা তুলে ধরেন। প্রথম ধাপে (৩ মাস) সিটি কর্পোরেশন ও ট্রাফিক পুলিশের যৌথ জরিপ, ডিজিটাল নিবন্ধন এবং নতুন লাইসেন্স সাময়িক স্থগিতের প্রস্তাব দেন। দ্বিতীয় ধাপে (৬ মাস) নির্দিষ্ট হকার জোন নির্ধারণ, অটোরিকশার রুট ও সময়সূচি ঠিক করা এবং ফুটপাত পুরোপুরি পথচারীদের জন্য সংরক্ষণের কথা বলেন। তৃতীয় ধাপে (১ বছর) কঠোর বাস্তবায়ন, লাইসেন্স বাতিল, জরিমানা এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্তভাবে আইন প্রয়োগ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন।
বিপ্লব খাঁন বলেন, এটি কেবল আইনশৃঙ্খলার বিষয় নয়; বরং একটি টেকসই নগর ব্যবস্থাপনার প্রশ্ন। ফুটপাত দখলমুক্ত করার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমজীবী মানুষের পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থানের উদ্যোগ নেওয়া রাষ্ট্র ও সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্ব।
সবশেষে তিনি সুশৃঙ্খল, মানবিক ও পরিকল্পিত নগর গড়ে তুলে নগরবাসীর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ফুটপাত থেকে হকার উচ্ছেদের ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন গণসংহতি আন্দোলন, নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সমন্বয়কারী মো. বিপ্লব খাঁন। তিনি মনে করেন, ফুটপাত দখলমুক্ত করা একটি আধুনিক, নিরাপদ ও মানবিক শহর গড়ার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
রোববার (১২ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বিপ্লব খাঁন বলেন, ফুটপাত মূলত পথচারীদের চলাচলের জন্য নির্ধারিত হলেও বর্তমানে তা বিভিন্ন স্টল, চৌকি, যানবাহন ও অস্থায়ী স্থাপনায় দখল হয়ে গেছে। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রশ্রয় ও প্রশাসনিক দুর্বলতার কারণে এই সমস্যা জটিল আকার ধারণ করেছে।
তিনি আরও বলেন, এই উদ্যোগ কোনো ব্যক্তি বা পেশার বিরুদ্ধে নয়; বরং নাগরিকদের নিরাপদে হাঁটার অধিকার নিশ্চিত করার প্রয়াস। তবে হকার ও অটোরিকশা চালকদের জন্য বিকল্প জীবিকার ব্যবস্থা ছাড়া উচ্ছেদ অভিযান চালালে স্থায়ী সমাধান আসবে না এবং এতে সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে।
বিবৃতিতে সমস্যার পেছনে অনিয়ন্ত্রিত লাইসেন্স ব্যবস্থা, নির্দিষ্ট রুট ও জোনিং নীতির অভাব, বিকল্প কর্মসংস্থানের সীমাবদ্ধতা, প্রশাসনিক সমন্বয়ের ঘাটতি এবং দীর্ঘমেয়াদি নগর পরিকল্পনার অভাবকে দায়ী করেন বিপ্লব খাঁন।
সমাধান হিসেবে তিনি তিন ধাপের একটি পরিকল্পনা তুলে ধরেন। প্রথম ধাপে (৩ মাস) সিটি কর্পোরেশন ও ট্রাফিক পুলিশের যৌথ জরিপ, ডিজিটাল নিবন্ধন এবং নতুন লাইসেন্স সাময়িক স্থগিতের প্রস্তাব দেন। দ্বিতীয় ধাপে (৬ মাস) নির্দিষ্ট হকার জোন নির্ধারণ, অটোরিকশার রুট ও সময়সূচি ঠিক করা এবং ফুটপাত পুরোপুরি পথচারীদের জন্য সংরক্ষণের কথা বলেন। তৃতীয় ধাপে (১ বছর) কঠোর বাস্তবায়ন, লাইসেন্স বাতিল, জরিমানা এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্তভাবে আইন প্রয়োগ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন।
বিপ্লব খাঁন বলেন, এটি কেবল আইনশৃঙ্খলার বিষয় নয়; বরং একটি টেকসই নগর ব্যবস্থাপনার প্রশ্ন। ফুটপাত দখলমুক্ত করার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমজীবী মানুষের পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থানের উদ্যোগ নেওয়া রাষ্ট্র ও সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্ব।
সবশেষে তিনি সুশৃঙ্খল, মানবিক ও পরিকল্পিত নগর গড়ে তুলে নগরবাসীর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন