নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান বলেছেন, নারায়ণগঞ্জে কোনো চাঁদাবাজি বা দখলদারিত্ব চলবে না। নিজ দলের ভেতর থেকেও যদি কেউ চাঁদাবাজি বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং আইনের আওতায় আনা হবে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) নারায়ণগঞ্জ শহরের ফুটপাত হকারমুক্ত করতে শুরু হওয়া উচ্ছেদ অভিযানে তিনি এসব কথা বলেন। বেলা ৩টায় জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশের সমন্বয়ে এ অভিযান শুরু হয়।
তিনি বলেন, ফুটপাত দখলমুক্ত করা এখন সময়ের দাবি। অবৈধভাবে দোকান বসিয়ে রাস্তা দখল করে রাখার সুযোগ আর দেওয়া হবে না। এতে করে পথচারীরা নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারবে এবং শহরের যানজটও অনেকাংশে কমে আসবে।
সাখাওয়াত হোসেন খান আরও বলেন, এই অভিযানে কাউকে লক্ষ্য করে নয়, বরং নগরবাসীর স্বার্থে কাজ করা হচ্ছে। একটি আধুনিক, নিরাপদ ও যানজটমুক্ত শহর গড়তেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, শহরের অবৈধ যানবাহন নিয়ন্ত্রণে ইতোমধ্যে ডিজিটাল লাইসেন্স প্লেট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই তা কার্যকর করা হবে। এর মাধ্যমে অবৈধ যানবাহন শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, ধুলাবালি, যানজট ও ফুটপাত দখলের কারণে নগরবাসীর স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হচ্ছে এবং কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে। এসব সমস্যা দূর করতে ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা এবং শহরকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনা জরুরি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, নাসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নূর কুতুবুল আলম, সন্ত্রাস নির্মুল ত্বকী মঞ্চের আহ্বায়ক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তি রফিউর রাব্বি, নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু, জামায়াতে ইসলামী মহানগরীর সেক্রেটারী ইঞ্জিনিয়ার মনোয়ার হোসেন, গণসংহতি আন্দোলন জেলার সমন্বয়কারী তারিকুল ইসলাম সুজন, জেলার নির্বাহী সমন্বয়কারী অঞ্জন দাস, ইসলামী আন্দোলন মহানগরের সভাপতি মুফতি মাছুম বিল্লাহ, খেলাফত মজলিসের ইলিয়াস আহমেদ, আমরা নারায়ণগঞ্জবাসীর সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা নুরউদ্দিন আহমেদ, নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্র ফেডারেশনের সাবেক সভাপতি ফারহানা মানিক মুনা প্রমুখ।

মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান বলেছেন, নারায়ণগঞ্জে কোনো চাঁদাবাজি বা দখলদারিত্ব চলবে না। নিজ দলের ভেতর থেকেও যদি কেউ চাঁদাবাজি বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং আইনের আওতায় আনা হবে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) নারায়ণগঞ্জ শহরের ফুটপাত হকারমুক্ত করতে শুরু হওয়া উচ্ছেদ অভিযানে তিনি এসব কথা বলেন। বেলা ৩টায় জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশের সমন্বয়ে এ অভিযান শুরু হয়।
তিনি বলেন, ফুটপাত দখলমুক্ত করা এখন সময়ের দাবি। অবৈধভাবে দোকান বসিয়ে রাস্তা দখল করে রাখার সুযোগ আর দেওয়া হবে না। এতে করে পথচারীরা নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারবে এবং শহরের যানজটও অনেকাংশে কমে আসবে।
সাখাওয়াত হোসেন খান আরও বলেন, এই অভিযানে কাউকে লক্ষ্য করে নয়, বরং নগরবাসীর স্বার্থে কাজ করা হচ্ছে। একটি আধুনিক, নিরাপদ ও যানজটমুক্ত শহর গড়তেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, শহরের অবৈধ যানবাহন নিয়ন্ত্রণে ইতোমধ্যে ডিজিটাল লাইসেন্স প্লেট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই তা কার্যকর করা হবে। এর মাধ্যমে অবৈধ যানবাহন শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, ধুলাবালি, যানজট ও ফুটপাত দখলের কারণে নগরবাসীর স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হচ্ছে এবং কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে। এসব সমস্যা দূর করতে ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা এবং শহরকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনা জরুরি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, নাসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নূর কুতুবুল আলম, সন্ত্রাস নির্মুল ত্বকী মঞ্চের আহ্বায়ক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তি রফিউর রাব্বি, নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু, জামায়াতে ইসলামী মহানগরীর সেক্রেটারী ইঞ্জিনিয়ার মনোয়ার হোসেন, গণসংহতি আন্দোলন জেলার সমন্বয়কারী তারিকুল ইসলাম সুজন, জেলার নির্বাহী সমন্বয়কারী অঞ্জন দাস, ইসলামী আন্দোলন মহানগরের সভাপতি মুফতি মাছুম বিল্লাহ, খেলাফত মজলিসের ইলিয়াস আহমেদ, আমরা নারায়ণগঞ্জবাসীর সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা নুরউদ্দিন আহমেদ, নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্র ফেডারেশনের সাবেক সভাপতি ফারহানা মানিক মুনা প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন