নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রির পরিচালক ও ওই আর ভলান্টিয়ার সংগঠনের আহবায়ক আহমেদুর রহমান তনু বলেছেন, জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ পালিয়ে গেলে অন্তবর্তি সরকারের প্রশাসন মাঠে নেমে কাজ করার বল হারিয়ে ফেলে।তখন নারায়ণগঞ্জের যেই প্রেক্ষাপট ছিল সেই অবস্থায় প্রশাসন এবং নাগরিদের সুযোগ সুবিধা ব্যবস্থা চলমান করার জন্য বিকেএমইএ ও চেম্বার অব কমার্সের ব্যানারে আমরা স্বেচ্ছাসেবি হিসেবে কাজ শুরু করি। তারই ধারাবাহিকতায় গত দের বছর যাবত পুলিশ প্রশাসনের ট্রাফিক বিভাগের সাথে যুক্ত হয়ে যানজট নিরসন সহ অন্যান্য প্রেক্ষাপটে নাগরিকদের সুবিধার্থে যে কাজ গুলো করা দরকার ১২ ফেব্রুয়ারি আগে পরে আমরা সেই কাজ গুলো করে গেছি। শনিবার যানজট নিরসনে অবদান রাখায় সম্মাননা শেষে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সমানে তিনি এই মন্তব্য করেন।
আহমেদুর রহমান তনু বলেন, আগামী বাংলাদেশ বিনির্মানের যে সপ্ন আমরা গণঅভ্যুত্থান পরবর্তি সময়ে দেখেছিলাম সেটাকে সচল রাখাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। মুক্তিযুদ্ধ হচ্ছে আমাদের অহংকার আর ২৪ জুলাই আমাদের অর্জন। এই দুটোকে মাথায় রেখে আমাদের স্বেচ্ছাসেবি সংগঠন সহ নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স ও বিকেএমইএ কাজ করেছে। আগামীতেও আমরা কাজ করে যেতে আমরা প্রস্তুত। পুলিশ সুপার মহোদয় আমাদের সম্মানিত করে যে উৎসাহ দিলেন তাতে আগামীতে নারায়ণগঞ্জের জন্য কাজের ক্ষেত্রে আমাদের মনোযোগি হওয়া মনে করিয়ে দিলেন। একই সাথে কাজের প্রতি দায়বদ্ধতা বেড়ে গেলো।
তিনি বলেন, আমরা সকলে মিলে আমাদের শহরটাকে গড়বো। পুলিশ সুপারের এই উৎসাহ যাগানো যে বিষয়টা জেলা পুলিশ সুপার করলেন তার জন্য আমরা তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তাছাড়া কাজের জন্য যে কোন ভালো পুরস্কার বা সম্মাননা আমাদের কাজের গতিকে আরও বাড়িয়ে দিবে। আমরা সামনের দিন গুলোতেও নারায়ণগঞ্জ বাসির জন্য কাজ করে যাবো। আমাদের সম্মাননার জন্য সর্বস্তরের নারায়ণগঞ্জ বাসি থেকে শুরু পুলিশ প্রশাসনের সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রির পরিচালক ও ওই আর ভলান্টিয়ার সংগঠনের আহবায়ক আহমেদুর রহমান তনু বলেছেন, জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ পালিয়ে গেলে অন্তবর্তি সরকারের প্রশাসন মাঠে নেমে কাজ করার বল হারিয়ে ফেলে।তখন নারায়ণগঞ্জের যেই প্রেক্ষাপট ছিল সেই অবস্থায় প্রশাসন এবং নাগরিদের সুযোগ সুবিধা ব্যবস্থা চলমান করার জন্য বিকেএমইএ ও চেম্বার অব কমার্সের ব্যানারে আমরা স্বেচ্ছাসেবি হিসেবে কাজ শুরু করি। তারই ধারাবাহিকতায় গত দের বছর যাবত পুলিশ প্রশাসনের ট্রাফিক বিভাগের সাথে যুক্ত হয়ে যানজট নিরসন সহ অন্যান্য প্রেক্ষাপটে নাগরিকদের সুবিধার্থে যে কাজ গুলো করা দরকার ১২ ফেব্রুয়ারি আগে পরে আমরা সেই কাজ গুলো করে গেছি। শনিবার যানজট নিরসনে অবদান রাখায় সম্মাননা শেষে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সমানে তিনি এই মন্তব্য করেন।
আহমেদুর রহমান তনু বলেন, আগামী বাংলাদেশ বিনির্মানের যে সপ্ন আমরা গণঅভ্যুত্থান পরবর্তি সময়ে দেখেছিলাম সেটাকে সচল রাখাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। মুক্তিযুদ্ধ হচ্ছে আমাদের অহংকার আর ২৪ জুলাই আমাদের অর্জন। এই দুটোকে মাথায় রেখে আমাদের স্বেচ্ছাসেবি সংগঠন সহ নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স ও বিকেএমইএ কাজ করেছে। আগামীতেও আমরা কাজ করে যেতে আমরা প্রস্তুত। পুলিশ সুপার মহোদয় আমাদের সম্মানিত করে যে উৎসাহ দিলেন তাতে আগামীতে নারায়ণগঞ্জের জন্য কাজের ক্ষেত্রে আমাদের মনোযোগি হওয়া মনে করিয়ে দিলেন। একই সাথে কাজের প্রতি দায়বদ্ধতা বেড়ে গেলো।
তিনি বলেন, আমরা সকলে মিলে আমাদের শহরটাকে গড়বো। পুলিশ সুপারের এই উৎসাহ যাগানো যে বিষয়টা জেলা পুলিশ সুপার করলেন তার জন্য আমরা তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তাছাড়া কাজের জন্য যে কোন ভালো পুরস্কার বা সম্মাননা আমাদের কাজের গতিকে আরও বাড়িয়ে দিবে। আমরা সামনের দিন গুলোতেও নারায়ণগঞ্জ বাসির জন্য কাজ করে যাবো। আমাদের সম্মাননার জন্য সর্বস্তরের নারায়ণগঞ্জ বাসি থেকে শুরু পুলিশ প্রশাসনের সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

আপনার মতামত লিখুন