নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম বলেছেন, হকার ও যানজটমুক্ত একটি আধুনিক নগর গড়ে তোলার দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা আজ বাস্তবায়নের পথে অগ্রসর হয়েছে। তিনি এ উদ্যোগকে একটি “ঐতিহাসিক দিবস” হিসেবে উল্লেখ করেন।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ শহরে শুরু হওয়া ফুটপাত হকারমুক্তকরণ অভিযানে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। বেলা ৩টায় জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশের সমন্বয়ে এ উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়।
তিনি বলেন, অতীতে এককভাবে হকার উচ্ছেদের উদ্যোগ সফল হয়নি। তবে এবার রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন এবং নাগরিক সমাজ একসঙ্গে কাজ করায় একটি ঐতিহাসিক পরিবর্তনের সূচনা হয়েছে।
এমপি আবুল কালাম আরও বলেন, যদিও সিটি করপোরেশন এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে, তবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব প্রশাসনের। জনপ্রতিনিধি হিসেবে তারা জনগণের প্রত্যাশা বাস্তবায়নে সহযোগিতা করছেন।
ভবিষ্যতে পুনরায় হকার বসার সম্ভাবনা প্রসঙ্গে তিনি জানান, “আমরা জিরো টলারেন্সে আছি। অতীতের মতো যেন আবার ফুটপাত দখল না হয়, সে জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে অবস্থান জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার কোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ডকে প্রশ্রয় দেবে না।
এ সময় সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, নাসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নূর কুতুবুল আলম, সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চের আহ্বায়ক রফিউর রাব্বি, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু, জামায়াতে ইসলামী মহানগরীর সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মনোয়ার হোসেন, গণসংহতি আন্দোলনের তারিকুল ইসলাম সুজন, ইসলামী আন্দোলন মহানগরের সভাপতি মুফতি মাছুম বিল্লাহ, খেলাফত মজলিসের ইলিয়াস আহমেদ, আমরা নারায়ণগঞ্জবাসীর সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরউদ্দিন আহমেদ, ফারহানা মানিক মুনাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম বলেছেন, হকার ও যানজটমুক্ত একটি আধুনিক নগর গড়ে তোলার দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা আজ বাস্তবায়নের পথে অগ্রসর হয়েছে। তিনি এ উদ্যোগকে একটি “ঐতিহাসিক দিবস” হিসেবে উল্লেখ করেন।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ শহরে শুরু হওয়া ফুটপাত হকারমুক্তকরণ অভিযানে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। বেলা ৩টায় জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশের সমন্বয়ে এ উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়।
তিনি বলেন, অতীতে এককভাবে হকার উচ্ছেদের উদ্যোগ সফল হয়নি। তবে এবার রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন এবং নাগরিক সমাজ একসঙ্গে কাজ করায় একটি ঐতিহাসিক পরিবর্তনের সূচনা হয়েছে।
এমপি আবুল কালাম আরও বলেন, যদিও সিটি করপোরেশন এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে, তবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব প্রশাসনের। জনপ্রতিনিধি হিসেবে তারা জনগণের প্রত্যাশা বাস্তবায়নে সহযোগিতা করছেন।
ভবিষ্যতে পুনরায় হকার বসার সম্ভাবনা প্রসঙ্গে তিনি জানান, “আমরা জিরো টলারেন্সে আছি। অতীতের মতো যেন আবার ফুটপাত দখল না হয়, সে জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে অবস্থান জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার কোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ডকে প্রশ্রয় দেবে না।
এ সময় সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, নাসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নূর কুতুবুল আলম, সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চের আহ্বায়ক রফিউর রাব্বি, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু, জামায়াতে ইসলামী মহানগরীর সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মনোয়ার হোসেন, গণসংহতি আন্দোলনের তারিকুল ইসলাম সুজন, ইসলামী আন্দোলন মহানগরের সভাপতি মুফতি মাছুম বিল্লাহ, খেলাফত মজলিসের ইলিয়াস আহমেদ, আমরা নারায়ণগঞ্জবাসীর সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরউদ্দিন আহমেদ, ফারহানা মানিক মুনাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন