ফেসবুকে নেই আইভী, তার নামেই চলছে একাধিক অ্যাকাউন্ট-পেজ
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর নামে ফেসবুকে একাধিক অ্যাকাউন্ট, পেজ ও গ্রুপ সক্রিয় থাকলেও সেগুলোর কোনোটি তিনি পরিচালনা করেন না বলে জানিয়েছে তার পরিবার। পরিবারের দাবি, আইভী কখনোই ফেসবুকে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট খোলেননি বা এই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করেননি।
সম্প্রতি কারামুক্ত হওয়ার পর তার নামে পরিচালিত বিভিন্ন ফেসবুক পেজ ও অ্যাকাউন্টে কার্যক্রম বেড়েছে। এসব প্ল্যাটফর্ম থেকে রাজনৈতিক বক্তব্য ও নানা ধরনের তথ্য প্রচার করা হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে আইভীকে আইনি জটিলতায় ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে পরিবার।
ফেসবুকে অনুসন্ধান করে দেখা গেছে, বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় সেলিনা হায়াৎ আইভীর নামে অন্তত ১৫টির বেশি অ্যাকাউন্ট ও পেজ রয়েছে। এর মধ্যে একটি পেজ সম্প্রতি ‘মেটা ভেরিফায়েড’ হয়েছে এবং এর অনুসারীর সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ৩৩ হাজার। একই নামে কয়েকটি গ্রুপও সক্রিয় রয়েছে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, আইভীর কোনো অফিসিয়াল ফেসবুক উপস্থিতি নেই। তাই তার নামে পরিচালিত এসব অ্যাকাউন্ট বা পেজ থেকে প্রচারিত কোনো বক্তব্য, তথ্য বা কর্মকাণ্ডের দায় তার ওপর বর্তাবে না।
পরিবারের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, যদি এসব ভুয়া অ্যাকাউন্ট বা পেজ থেকে আইনবিরোধী, উসকানিমূলক কিংবা বিভ্রান্তিকর কোনো কনটেন্ট প্রচার করা হয়, তবে তার দায়ভার ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর নয়।
তাদের মতে, জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের নামে ভুয়া অ্যাকাউন্ট খুলে বিভ্রান্তি ছড়ানোর ঘটনা নতুন নয়। তবে আইভীর নাম ব্যবহার করে এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
উল্লেখ্য, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঘিরে দায়ের করা হত্যা ও হত্যাচেষ্টার ১২টি মামলায় দীর্ঘদিন কারাভোগের পর গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে নিজ বাসভবনে ফেরেন সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী। তিনি ২০০৩ সালে নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হন এবং পরে ২০১১, ২০১৬ ও ২০২২ সালে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন। ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাকে মেয়রের দায়িত্ব থেকে অপসারণ করে। এছাড়া তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন।

শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
ফেসবুকে নেই আইভী, তার নামেই চলছে একাধিক অ্যাকাউন্ট-পেজ
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর নামে ফেসবুকে একাধিক অ্যাকাউন্ট, পেজ ও গ্রুপ সক্রিয় থাকলেও সেগুলোর কোনোটি তিনি পরিচালনা করেন না বলে জানিয়েছে তার পরিবার। পরিবারের দাবি, আইভী কখনোই ফেসবুকে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট খোলেননি বা এই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করেননি।
সম্প্রতি কারামুক্ত হওয়ার পর তার নামে পরিচালিত বিভিন্ন ফেসবুক পেজ ও অ্যাকাউন্টে কার্যক্রম বেড়েছে। এসব প্ল্যাটফর্ম থেকে রাজনৈতিক বক্তব্য ও নানা ধরনের তথ্য প্রচার করা হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে আইভীকে আইনি জটিলতায় ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে পরিবার।
ফেসবুকে অনুসন্ধান করে দেখা গেছে, বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় সেলিনা হায়াৎ আইভীর নামে অন্তত ১৫টির বেশি অ্যাকাউন্ট ও পেজ রয়েছে। এর মধ্যে একটি পেজ সম্প্রতি ‘মেটা ভেরিফায়েড’ হয়েছে এবং এর অনুসারীর সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ৩৩ হাজার। একই নামে কয়েকটি গ্রুপও সক্রিয় রয়েছে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, আইভীর কোনো অফিসিয়াল ফেসবুক উপস্থিতি নেই। তাই তার নামে পরিচালিত এসব অ্যাকাউন্ট বা পেজ থেকে প্রচারিত কোনো বক্তব্য, তথ্য বা কর্মকাণ্ডের দায় তার ওপর বর্তাবে না।
পরিবারের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, যদি এসব ভুয়া অ্যাকাউন্ট বা পেজ থেকে আইনবিরোধী, উসকানিমূলক কিংবা বিভ্রান্তিকর কোনো কনটেন্ট প্রচার করা হয়, তবে তার দায়ভার ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর নয়।
তাদের মতে, জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের নামে ভুয়া অ্যাকাউন্ট খুলে বিভ্রান্তি ছড়ানোর ঘটনা নতুন নয়। তবে আইভীর নাম ব্যবহার করে এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
উল্লেখ্য, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঘিরে দায়ের করা হত্যা ও হত্যাচেষ্টার ১২টি মামলায় দীর্ঘদিন কারাভোগের পর গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে নিজ বাসভবনে ফেরেন সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী। তিনি ২০০৩ সালে নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হন এবং পরে ২০১১, ২০১৬ ও ২০২২ সালে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন। ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাকে মেয়রের দায়িত্ব থেকে অপসারণ করে। এছাড়া তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন