নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর–বন্দর) আসনে গণসংহতি আন্দোলনের প্রার্থী তারিকুল ইসলাম সুজন নির্বাচিত হলে প্রথম ১০০ দিনের মধ্যেই চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মাদক, কিশোর গ্যাং ও ভূমিদস্যুতা দমনের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেন, নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই হবে তার অগ্রাধিকার।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা জানান।
নগর ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তনের অঙ্গীকার
তারিকুল ইসলাম সুজন বলেন, শহরের গুরুত্বপূর্ণ বিবি রোডে ইজিবাইক নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ স্ট্যান্ড উচ্ছেদ ও হকারমুক্ত করা হবে। পাশাপাশি ট্রাফিক ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও প্রয়োজনীয় জনবল বৃদ্ধি করা হবে।
২ নম্বর রেলগেট এলাকায় উৎসব-বন্ধন পরিবহনের অবৈধ পার্কিং বন্ধ করে ফুটপাত দখলমুক্ত করা এবং পথচারীদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিতের কথাও জানান তিনি।
টোল, গ্যাস ও সড়ক সংস্কার
সাধারণ মানুষের স্বার্থে বন্দর ঘাটের টোল বাতিল এবং সদর-বন্দর সড়ক সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দেন সুজন। বন্দরে গ্যাস ও পানির সংকট নিরসনে তিতাস গ্যাস ও সিটি করপোরেশনের সঙ্গে সমন্বয় করে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বলেন।
হাসপাতাল ও সরকারি অফিসে সংস্কারের প্রতিশ্রুতি
সরকারি হাসপাতালগুলোতে ২৪ ঘণ্টা মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করে তিনি বলেন, হাসপাতালগুলোকে দালালমুক্ত করা হবে। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মাধ্যমে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ এবং সেবার মান উন্নয়নে প্রাতিষ্ঠানিক নজরদারি জোরদার করা হবে।
এছাড়া সরকারি অফিসে ঘুষমুক্ত সেবা চালু, নিবন্ধন-লাইসেন্সসহ সব প্রক্রিয়া শতভাগ ডিজিটাল করা এবং প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে মাসিক অগ্রগতি প্রকাশের ঘোষণা দেন তিনি।
‘এমপিগিরি নয়, সমস্যা সমাধানই লক্ষ্য’
তারিকুল ইসলাম সুজন বলেন, “আমি এমপিগিরি করার জন্য নির্বাচন করছি না; সদর-বন্দরের সমস্যা সমাধান করতেই মাঠে নেমেছি। নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথম ১০০ দিনের মধ্যে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে স্বেচ্ছায় সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করব।”
তার এ ঘোষণাকে ঘিরে নির্বাচনী মাঠে নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে।



















