বন্দরের মদনপুরের ফুলহর এলাকার আলোচিত যুবলীগ নেতা অহিদুজ্জামান অহিদকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ড শেষে আদালতে প্রেরণ করেছে পুলিশ। মদনপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার উপর হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। ওই ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় আলোচিত যুবলীগ নেতা অহিদুজ্জামান অহিদকে গ্রেপ্তার করা হলেও সে সময় অহিদের অন্যতম সহযোগী এবং বর্তমানে বিএনপি নেতা সাজার চেষ্টাকারী এস.এম মোমেন ওরফে পাইছার পোলা মোমেনকে এখনো গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, এই এস.এম মোমেন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন বিএনপি থেকে অহিদের মাধ্যমে বন্দর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম.এ রশিদ ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আরজু ভুইয়ার হাতে ফুল দিয়ে আওয়ামী লীগে আনুষ্ঠানিক যোগদান করেন। অহিদের সাথে প্রতিটি মিটিং সমাবেশে মিছিল নিয়ে যোগদান করে। অহিদের অন্যতম সহযোগি হয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার বিএনপির নেতাকর্মীদের পুলিশে ধরিয়ে দেওয়া, ড্রেজার ব্যবসা, ইট বালুর ব্যবসা, জমির ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কোটিপতি বনে যান এই মোমেন। এমন কি ছাত্র জনতার বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন চলাকালীন সময় অহিদের নেতৃত্বে মদনপুরে আন্দোলনকারীদের উপর যে হামলা হয়েছে সেই হামলায় অহিদের সাথে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন এই মোমেন।
৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের ফ্যাসিস্ট সরকার পতন হলে কিছুদিনের জন্য নিজেকে আড়াল করে নেয় মোমেন। এরপর আবারো এলাকায় ফিরে আসে। তার বড় ভাই আলআমিন বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত এবং আবুল কাউসার আশার নেতৃত্বে রাজনীতি করে। ফলে বড় ভাইয়ের রাজনৈতিক ক্ষমতায় এলাকায় ফিরে নিজের আওয়ামী লীগের খোলস ফেলে নতুন করে বিএনপি বনে যাওযার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। সেই সাথে পূর্বের মত অহিদের দেখানো পথে মদনপুর এলাকায় সকল কিছুর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এখন বিএনপি সেজে বহাল তবিয়তে রয়ে গেছে।
এদিকে মদনপুরে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনকারীদের উপর হামলায় ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় অহিদুজ্জামানকে গ্রেপ্তারকে করা হলেও সে সময় তার অন্যতম সহযোগি মোমেনকে গ্রেপ্তার না করায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন এলাকাবাসী। সেই সাথে ফ্যাসিস্ট দোসরকে বিএনপিতে পুনর্বাসনের অপচেষ্টা করায় বিএনপি ও তাঁতীদলের মহানগরের নেতৃবৃন্দদের ধিক্কার জানাতে শুরুতে করছে স্থানীয় বিএনপির তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।




















