নারায়ণগঞ্জ–৪ আসনের বিএনপি’র সমর্থিত জোট প্রার্থী মুফতি মনির হোসেন কাসেমীর নির্বাচনী গণসংযোগে ডিজে গান ব্যবহারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
বক্তাবলী এলাকায় অনুষ্ঠিত ওই গণসংযোগের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে নানা বিতর্ক।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, একটি মিশুক গাড়িতে স্থাপিত ডিজে সাউন্ড বক্সে উচ্চস্বরে গান বাজানো হচ্ছে। সেই মিশুকের সঙ্গে টাঙানো ফেস্টুনে মুফতি মনির হোসেন কাসেমী ও বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। ডিজে গানের তালে তালে এক ব্যক্তি পুতুল সেজে নাচতেও দেখা যায়, যা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়।
এ ঘটনার পর অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন তুলেছেন,একজন আলেম পরিচয়ের প্রার্থীর প্রচারণায় এ ধরনের ডিজে গান ও নাচ কতটা শালীন ও গ্রহণযোগ্য। ধর্মীয় ভাবমূর্তি ও রাজনৈতিক শালীনতার সঙ্গে এই প্রচারণা সাংঘর্ষিক বলেও মন্তব্য করেছেন অনেকে।
স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি দাবি করছেন, বিতর্কিত এই প্রচারণার মূল পরিকল্পনায় সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদের ভূমিকা রয়েছে। অনেকের ধারণা, আব্দুর রশিদের এই কর্মকাণ্ডের কারণেই মূলত মুফতি মনির হোসেন কাসেমী অপ্রত্যাশিত সমালোচনার মুখে পড়েছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ভোটার বলেন, “মনির কাসেমী একজন আলেম মানুষ হিসেবে পরিচিত। কিন্তু এই ধরনের ডিজে গান ও পুতুল নাচ তার ভাবমূর্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। এতে তার রাজনৈতিক অবস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।”
বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যবহৃত বিতর্কিত কৌশল অনেক সময় প্রার্থীর ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি ও নির্বাচনী সম্ভাবনাকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করতে পারে। ফলে এই ঘটনা নারায়ণগঞ্জ–৪ আসনের নির্বাচনী মাঠে কী প্রভাব ফেলে, তা নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।




















