বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্মাণে ছাত্রসমাজ বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলন থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান—প্রতিটি ঐতিহাসিক অধ্যায়ে সচেতন ছাত্রসমাজ ছিল অগ্রণী শক্তি। কিন্তু বর্তমান সময়ে ছাত্রদের মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতার ঘাটতি একটি উদ্বেগজনক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রাজনীতি সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান ও বাস্তবধর্মী ধারণার অভাবে অনেক শিক্ষার্থী বিভ্রান্তি, গুজব ও ভুল তথ্যের শিকার হচ্ছে। ফলে তারা ন্যায়ভিত্তিক ও গঠনমূলক রাজনৈতিক অংশগ্রহণ থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সচেতন ছাত্রসমাজ না থাকলে সুশাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা কঠিন হয়ে পড়ে।
ছাত্রদের রাজনীতি মানে সহিংসতা বা দলীয় সংকীর্ণতা নয়; বরং নৈতিকতা, দায়িত্ববোধ, দেশপ্রেম ও জনকল্যাণমূলক চিন্তার চর্চা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক ইতিহাস, সংবিধান, নাগরিক অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে আলোচনা বাড়ানো জরুরি। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের যুক্তিবাদী চিন্তা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে।
আমরা মনে করি, শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্র—সবাই সম্মিলিতভাবে উদ্যোগ নিলে ছাত্রদের মধ্যে সুস্থ ও ইতিবাচক রাজনৈতিক সচেতনতা গড়ে তোলা সম্ভব। সচেতন ছাত্রসমাজই পারে আগামীর বাংলাদেশকে একটি ন্যায়ভিত্তিক, গণতান্ত্রিক ও উন্নত রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করতে।
ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সভাপতি মুহাম্মাদ আবুল হাশিম উক্ত সম্মেলনের প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন। তিনি উক্ত সম্মেলনের প্রধান বক্তার বক্তব্যে বলেন…
ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের প্রত্যেকটি নেতাকর্মী কে রাষ্ট্র গঠনের তীব্র ইচ্ছা লালন করতে হবে এবং রাষ্ট্রকে আমূল পরিবর্তন করার চেষ্টা করতে হবে।
সাংগঠনিক কাজ কে আরো বেগবান করার আহবান জানান ইসলামী ছাত্র আন্দোলন এর নগর সভাপতি।আগামী সেশন কে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নেয়ারও আহবান জানান মুহাম্মাদ আবুল হাশিম। সম্মেলনে নব গঠিত কমিটিকে শপথ বাক্য পাঠ করান ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ নারায়ণগঞ্জ মহানগরের নবগঠিত কমিটির সভাপতি মুহাম্মাদ আবুল হাশিম।
তিনি ২৫ সেশনের কমিটি বিলুপ্ত করে ২৬ সেশনের জন্য মুহাম্মাদ সাইম হুসাইন কে সভাপতি, শেখ মোঃ রুহুল আমিন কে সহ-সভাপতি ও আলিফ রহমান ফাহাদ কে সাধারণ সম্পাদক করে নতুন কমিটি ঘোষণা করেন।


















