নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ শাহ আলম অভিযোগ করেছেন, “আমাদের দলের কর্মীরা, বিশেষ করে যারা বিভিন্ন এলাকা ও ওয়ার্ডে কাজ করছেন, তাদের প্রধান এজেন্টদের ফোন করে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। অনেক সময় সরাসরি সামনাসামনিও হুমকি দেওয়া হচ্ছে, বলেছেন, ‘১২ তারিখের পর দেখা হবে’। এভাবে আমার এজেন্টদের নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। বিষয়টি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি।”
শাহ আলম এসব মন্তব্য করেছেন সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে এনায়েতনগর ইউনিয়নের পূর্ব মাসদাইর এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগকালে।
তিনি আরও জানান, “গত ১৭ বছর ধরে আমি বিএনপির জন্য কাজ করেছি এবং যারা আমার সঙ্গে রয়েছেন, তারা সবাই বিএনপির সক্রিয় নেতাকর্মী। দল হয়তো জোটের স্বার্থে কাউকে মনোনয়ন দিয়েছে, কিন্তু বিএনপির কিছু নেতাকর্মী ও স্থানীয় মানুষ সেটিকে মেনে নিতে পারেননি। এজন্য জনগণ ও নেতাকর্মীদের স্বার্থে আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি।”
বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হওয়া প্রসঙ্গে শাহ আলম বলেন, “দল আমাকে নিয়ম অনুসারে বহিষ্কার করেছে। তবে আমার একটাই কথা, ২০০৮ সালে প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার হাত ধরে আমার রাজনৈতিক পথ শুরু। তিনি আমাকে ২০০৮ ও ২০১৮ সালে মনোনয়ন দিয়েছিলেন। একবার বা একশবারও বহিষ্কার করা হোক, তবুও আমার মন থেকে বেগম জিয়া ও বিএনপিকে কেউ মুছে ফেলতে পারবে না।”
তিনি আরও বলেন, “মানুষ দীর্ঘ ১৭ বছর ভোট দিতে পারেনি। এবার জনগণ ভোট কেন্দ্রে গিয়ে নিজের ভোট দিতে চায়। যদি সরকার ও প্রশাসন নিরপেক্ষ থাকে এবং প্রত্যেকে নিজের ভোট দিতে পারে, তবে এখানে একটি ভোটের বিপ্লব হবে, ইনশাআল্লাহ। আমি আশা করি, দলমত নির্বিশেষে মানুষ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আমাকে হরিণ মার্কায় ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে।”
গণসংযোগে উপস্থিত ছিলেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি জাহিদ হাসান রোজেল, সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম পান্না এবং স্থানীয় নেতাকর্মীরা।



















