আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা) আসনে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি মনোনীত ‘কাস্তে’ প্রতীকের প্রার্থীর সহধর্মিণী লায়লা ইকবাল বাড়ি বাড়ি গিয়ে নারীদের কাছে ভোট প্রার্থনা করছেন।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তিনি তল্লা সবুজবাগ, চানমারি ও খাঁপুর এলাকায় নারী ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে কাস্তে মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন তল্লা এলাকার সমাজসেবক আব্দুল ওয়াহাবের কন্যা আশুরা খাতুন লিপি, মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম সংসদের তল্লা ৯ নম্বর ওয়ার্ড কমিটির সাধারণ সম্পাদক আইমুন সুলতানা রুবা, ওয়াহিদা খানম পাড়ুলসহ শতাধিক নারী কর্মী ও সমর্থক।
গণসংযোগকালে লায়লা ইকবাল সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের সুখ-দুঃখ ও বিভিন্ন সমস্যার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন।
নারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তার স্বামী শ্রমিক নেতা ইকবাল হোসেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির একজন নিবেদিতপ্রাণ নেতা, যিনি গরিব ও খেটে খাওয়া মানুষের অধিকার আদায়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি সৎ, নীতিবান ও আদর্শবাদী একজন মানুষ, যিনি সবসময় শোষিত ও বঞ্চিত মানুষের পক্ষে কথা বলেন।
লায়লা ইকবাল বলেন, ফতুল্লার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে অবহেলা ও বঞ্চনার শিকার। জলাবদ্ধতা, বেকারত্ব, মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি এলাকাবাসীর জীবনে বড় সমস্যায় পরিণত হয়েছে। কমিউনিস্ট পার্টি প্রকৃত অর্থে জনগণের রাজনীতি করে এবং জনগণের অধিকার, সামাজিক ন্যায়বিচার, সাম্য ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই তাদের মূল লক্ষ্য।
তিনি আরও বলেন, জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন পেলে তার স্বামী ফতুল্লাবাসীর সংকট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নেবেন। নারীদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা ও দখলকৃত খাল উদ্ধার করে জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান করা হবে। পাশাপাশি শিক্ষার মানোন্নয়ন, দূষণমুক্ত পরিবেশ, উন্নত স্বাস্থ্যসেবা এবং শ্রমজীবী মানুষের ন্যায্য মজুরি ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেন তিনি।
শেষে তিনি বলেন, কাস্তে মার্কায় ভোট দিলে শোষণ ও বৈষম্যহীন সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের পথ আরও সুগম হবে।



















