নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বন্দর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাকসুদ হোসেন আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকবেন বলে জানিয়েছেন তার স্ত্রী নার্গিস মাকসুদ।
তিনি বলেন, বিভ্রান্তিকর গুজবে কেউ যেন বিচলিত না হন। মাকসুদ হোসেনকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখার জন্য একটি মহল অপচেষ্টা চালাচ্ছে, তবে সেসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে প্রতীক বরাদ্দের আগেই তিনি নির্বাচনী মাঠে ফিরবেন।
নার্গিস মাকসুদ অভিযোগ করেন, একাধিক মিথ্যা মামলা দিয়ে মাকসুদ হোসেনকে রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করার চেষ্টা চলছে। তবে শহর ও বন্দরের সাধারণ মানুষ বিষয়টি ভালোভাবেই জানেন। দীর্ঘদিন ধরে মানুষের পাশে থাকা এই নেতা প্রভাবশালীদের চাপ উপেক্ষা করে ভোটারদের ভালোবাসা ও সমর্থনে বন্দর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন।
তিনি আরও জানান, শহর-বন্দরের জনগণ এবার সংসদে এমপি হিসেবে মাকসুদ হোসেনকে দেখতে চান। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিতে মুখিয়ে রয়েছেন ভোটাররা। চলমান মনোনয়নসংক্রান্ত জটিলতা কাটিয়ে প্রার্থিতা ফিরে পেলে তিনি সরাসরি জনগণের কাছে গিয়ে নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করবেন।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে নার্গিস মাসুদ বলেন, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগ পর্যন্ত হোল্ডিং ট্যাক্সের বিল সংক্রান্ত কাগজ না পাওয়ায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধ করে নির্বাচন কমিশনে নিয়ম অনুযায়ী আপিল করা হয়েছে। আগামী ৯ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত আপিল করা যাবে এবং ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ সময়ের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তি হবে বলে তিনি জানান।
তিনি সবার কাছে ধৈর্য, দোয়া ও ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, আলহাজ্ব মো. মাকসুদ হোসেন ইনশাআল্লাহ তার প্রার্থিতা ফিরে পাবেন।
— অনুরোধক্রমে: নার্গিস মাকসুদ




















