তুই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে কুটুক্তির বিষয়ে আমার বিরুদ্ধে সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা ও ফতুল্লা থানায় অভিযোগ করেছিস কেন? আজকের মধ্যে মামলা প্রত্যাহার করে নিবি এবং আমাদের ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দিবি। যদি মামলা না তোলস এবং চাঁদার টাকা না দিস তাহলে তোকে জীবনে মেরে ফেলব বলে হুমকি প্রদান করার ঘটনায় এখন তোলপার চলছে। মামলা তুলতে ও চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে বাদী সোহেলকে আসামী প্রতারক কামাল প্রধান ও ভেজাইল্যা সুলতান মাহামুদ সহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪/৫ জন সন্ত্রাসীরা টেনে হিচরে সিএনজিতে উঠানোর চেষ্টা করে। এসময় সোহেলের ডাক চিৎকারে আশে পাশের লোকজন এগিয়ে আসলে আসামী কামাল প্রধানকে স্থানীয়রা আটক করে ফেলে। তখন সুলতান মাহামুদ সহ অন্যান্য সন্ত্রাসীরা দৌড়ে পালিয়ে যায় বলে জানা গেছে। এই ঘটনায় পহেলা মার্চ ফতুল্লা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, এমন পরিস্থিতিতে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ পঞ্চায়েত কমিটির অফিসে আসামী কামাল প্রধানকে নিয়ে যায় এবং সমস্যা সমাধানের জন্য কামালের পরিবারের স্ত্রী সন্তান ও ভাইদের ডেকে আনার ব্যবস্থা করা হয়। পরবর্তীতে আসামীর পরিবারের সদস্যদের সামনে কামাল প্রধান তার ভূল স্বীকার করে এবং ভোলাইল গেদ্দার বাজার পঞ্চায়েতের উপস্থিত ব্যক্তিবর্গের সামনে দুঃখ প্রকাশ করে বলে ভবিষ্যতে আর কখনো কারো বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার করে সম্মানহানী করবে না এবং মিথ্যা মামলা মোকাদ্দমায় কাউকে ফাসিয়ে অর্থ আদায়ও করবে না। এছাড়াও অভিযোগকারী সোহেলের কাছ থেকে হাওলাত নেওয়া ৫ লক্ষ টাকা কয়েক মাসের মধ্যে কয়েক কিস্তিতে পরিশোধ করবে বলে স্বীকারক্তি দেয়। এক পর্যায়ে পঞ্চায়েতের উপস্থিত গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাংবাদিকগণের সামনে সকল সমস্যা সমাধান করে বিবাদী কামাল প্রধান ও তার পরিবার পরিজন নিয়ে সুন্দর মতো হাসি খুশি মুখে কোলাকুলি করে ইফতার খেয়ে চলে যায়। কিন্তু পরবর্তী সময় ভেজাইল্যা সুলতান মাহামুদের উশৃঙ্খল আচরন ও ষড়যন্ত্রে পড়ে কামাল প্রধান ও তার পরিবারের সদস্যরা পরিস্থিতি ঘোলাটে করে উল্টে ফেলে ঘটনা। মিথ্যা, বানেয়াট, ভিত্তিহীন কল্পো কাহিনী তৈরি করে নাটক সাজিয়ে মিথ্যা মামলা মোকাদ্দমা দেওয়ার পায়তারা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ বিভিন্ন মানুষজনের কাছে বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করছে আসামীরা। পহেলা মার্চ বিভিন্ন মাধ্যম দিয়ে সোহেলসহ পঞ্চায়েতে উপস্থিত ব্যক্তিবর্গদের অব্যাহত হুমকি দিয়ে যাচ্ছে আসামীরা। যার ফলে সোহেল ও তার পরিবারের সদস্যরা সহ ঘটনাস্থলে থাকা উপস্থিত ব্যক্তিরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছে। উল্লেখ্য যে, আসামী কামাল প্রধানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ও আদালতে ২ ডজনেরও বেশি মামলা রয়েছে এবং কয়েকটি মামলায় দোষী সাব্যস্থ হয়ে আদালত কর্তৃক সাজাপ্রাপ্ত হয়। উপরোক্ত ঘটনার আলোকে পহেলা মার্চ বিকেলে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা মডেল থানায় ২জনকে চিহ্নিত এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৪/৫ জনকে আসামী করে ন্যায়বিচারের প্রত্যাশায় এবং অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য লিখিত অভিযোগ দায়ের করে ভুক্তভোগী সোহেল।




















