প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ চাঁদাবাজির অভিযোগকে ‘মিথ্যা ও পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র’ আখ্যা দিয়ে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এস এম মোমেন। তিনি দাবি করেন, চাঁদাবাজিমুক্ত কর্মসূচির সফলতা প্রশ্নবিদ্ধ করতেই একটি মহল তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে।
রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, তিনি নারায়ণগঞ্জ মহানগর তাঁতী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং ছাত্রজীবন থেকেই জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী।
তিনি জানান, গত বৃহস্পতিবার মদনপুর বাস স্ট্যান্ড এলাকায় পরিবহন, দোকানপাট ও ফুটপাত থেকে চাঁদাবাজি বন্ধে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। তার দাবি, এই কর্মসূচির পর থেকে এলাকায় চাঁদাবাজি বন্ধ রয়েছে।
তবে এ কার্যক্রমের জেরে একটি মহল ক্ষুব্ধ হয়ে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তার ভাষ্য, মদনপুর স্পেশালাইজড হাসপাতালের কেয়ারটেকার সালাউদ্দিনকে মারধর ও চাঁদা দাবির একটি ‘সাজানো ঘটনা’ তৈরি করে অভিযোগ দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের দোসর ছাত্র-জনতার উপর হামলা ও গু’লিবর্ষণকারী যুবলীগ নেতা অহিদুজ্জামান অহিদের স্ত্রী মিতু আক্তার একই ঘটনায় ২০ ফেব্রুয়ারি সরাসরি মামলা করেন।
এস এম মোমেন বলেন, “হাসপাতালটি সম্পূর্ণ সিসি ক্যামেরার আওতায়। কোনো মারধর বা চাঁদা দাবির ঘটনা ঘটলে তা ফুটেজে থাকার কথা। কিন্তু তদন্ত শুরুর আগেই মামলা নেওয়া হয়েছে, যা আমাদের বোধগম্য নয়।”
তিনি আরও দাবি করেন, প্রথম অভিযোগে কেয়ারটেকারের কাছে চাঁদা দাবির কথা বলা হলেও পরবর্তী মামলায় হাসপাতালের পরিচালকের কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ আনা হয়েছে, যা পরস্পর বিরোধী।
নিজেকে প্রধান আসামি করে ছয়জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। যদি তদন্তে আমাদের সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হয়, আমরা আইনগত ব্যবস্থা মেনে নেব। আর যদি প্রমাণিত হয় এটি হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা, তবে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার ও বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
















