নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনে বিএনপির প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু ভোটের মাঠে এখন প্রায় নির্ভার অবস্থানে রয়েছেন। সাতজন প্রার্থীর মধ্যে শেষ পর্যন্ত মাত্র পাঁচজনই প্রতিদ্বন্দ্বিতা চালাচ্ছেন। অন্যান্য প্রার্থীদের তুলনায় দিপুর প্রভাব স্পষ্ট, যার ফলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন তিনি রেকর্ড সংখ্যক ভোটে জয়ী হবেন।
স্থানীয় ভোটার, রাজনীতিক ও সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এ আসনে শুরু থেকেই এগিয়ে ছিলেন বিএনপির প্রার্থী দিপু ভূঁইয়া। তার মূল প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন দল থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী ও যুবদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. দুলাল হোসেন এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আনোয়ার হোসেন মোল্লা। এছাড়া গণঅধিকার পরিষদের ওয়াসিম উদ্দিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. ইমদাদুল্লাহ, সিপিবির মনিরুজ্জামান চন্দন এবং ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো. রেহান আফজালও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
দিপু ভূঁইয়া নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক শক্তি, পারিবারিক ও ব্যক্তিগত প্রভাবের কারণে তিনি ভোটের মাঠে শক্ত অবস্থানে ছিলেন। তবে দলীয় বিভাজন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের উপস্থিতি তার জন্য শুরুতে কিছুটা বাধা তৈরি করেছিল।
সময়সাপেক্ষ সমঝোতার মাধ্যমে দিপু বিএনপির অভ্যন্তরীণ বিভাজন কাটিয়ে ওঠেন। তিনি কাজী মনিরের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছান এবং তার অনুসারীদের নির্বাচনী প্রচারণায় যুক্ত করেন। একই সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থী দুলাল হোসেন ও ওয়াসিম উদ্দিন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালে দিপুর অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়।
অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আনোয়ার হোসেন মোল্লার কার্যক্রম সীমিত থাকায় দিপুর জন্য প্রধান চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়নি। সব মিলিয়ে দলীয় বিভাজন কাটিয়ে ওঠা, প্রতিদ্বন্দ্বীদের সরে যাওয়া এবং ব্যক্তিগত ও সাংগঠনিক শক্তির কারণে নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে দিপু ভূঁইয়া এখন জয়ী হওয়ার পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে রয়েছেন।




















