নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে খেজুর গাছে ভোট দিয়ে মুফতি মনির কাসেমীকে বিজয়ী করার অঙ্গীকার
বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় এনায়েতনগরে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এনায়েতনগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জনাব মাহমুদুল হক আলমগীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ দোয়া মাহফিলে বক্তব্য রাখেন,
ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম টিটু, ফতুল্লা থানা বিএনপির সহ-সভাপতি শহিদুল্লাহ, ফতুল্লা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এড. আব্দুল বারী ভুঁইয়া,
“ফতুল্লা থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী ‘ জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি, জাতীয়তাবাদী কৃষক ফতুল্লা থানার আহবায়ক জুয়েল আরমান, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল ফতুল্লা থানার আহবায়ক জনাব আলামিন, জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের আহবায়ক জিলানী ফকির, স্বেচ্ছাসেবক দল শাখার আহবায়ক জাকির হোসেম রবিন, নারায়ণগঞ্জ জেলা তাতীদলের আহবায়ক সিদ্দিকুর রহমান উজ্জল, এনায়েতনগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মিজানুর রহমান প্রধান, এনায়েতনগর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি আমিনুল ইসলাম লিটন, ফতুল্লা থানা জাতীয়তাবাদী দলের ১ নং সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক রুহুল আমিন সিকদার, ফতুল্লা থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী, জেলা জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক, মাওলানা ফেরদাউসুর রহমান, ৭, ৮ ৯ এর মহিলা মেম্বার রুজিনা মেম্বার, ফতুল্লা থানার সাবেক সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল, মহিলা দলের নেত্রী রহিমা শরীফ মায়া প্রমূখ।
কৃষকদলের জুয়েল আরমান বলেন, আমরা আজ এখানে উপস্থিত হয়েছি বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায়। তিনি খেটে খাওয়া মানুষের পক্ষে সব সমশ কাজ করেতেন। তিনি যে স্বপ্নগুলো দেখতেন সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য আমাদের অভিভাবক হিসেবে মনির কাসেমীকে পাঠিয়েছেন। আমরা তার পক্ষে কাজ করবো।
জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল ফতুল্লা থানার আহবায়ক জনাব আলামিন বলেন, ফতুল্লা-৪ আসনে জিয়ার আদর্শে গড়া দল বিএনপি থেকে যিনি নমিনেশন পেয়েছেন তাকে আমরা বিপুল ভোটে বিজয়ী করবো। এটাই আমার শেষ কথা।
জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের আহবায়ক জিলানী ফকির বলেন, আমরা সিল মারবো খেজুর গাছে, ফসল ফলবে ধানের শীষে।
স্বেচ্ছাসেবক দল শাখার আহবায়ক জাকির হোসেন রবিন বলেন, আমরা অনেক রক্ত দিয়েছি। আমাদের অনেক ভাইয়েরা গুম হয়েছে। এই একটি নির্বাচনের জন্য। এবার আমাদের সামনে সেই কাঙ্ক্ষিত নির্বাচন এসেছে। এ নির্বাচনে আমাদের নেতৃবৃন্দ মুফতি মনির হোসাইন কাসেমীকে আমাদের মাঝে পাঠিয়েছেন। যারা এতদিন নির্বাচনের জন্য আন্দোলন করেছেন তারা আজ এক মঞ্চে এসে উপস্থিত হয়েছেন। এখন এর বাইরে অনেকেই নিজেকে বিএনপি দাবী করছেন। নিজেকে বিএনপি বলে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির পায়ে কুড়াল মারছে। আমি তাদের সাবধান করে দিয়ে বলতে চাই, আপনি মিথ্যাচার ছাড়েন। দলের পক্ষে কাজ করেন।
নারায়ণগঞ্জ জেলা তাতীদলের আহবায়ক সিদ্দিকুর রহমান উজ্জল বলেন, আপনারা জানেন ১২ ফেব্রুয়ারী একটি নির্বাচন হতে যাচ্ছে। যে নির্বাচনের জন্য খালেদা জিয়া আমরণ আন্দোলন-সংগ্রাম করে গেছেন। নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে দল মুফতি মনির কাসেমী ভাইকে মনোনয়ন দিয়েছে। আমরা তাকে বিজয়ী করার জন্য যা যা করা দরকার তা তা করে এ আসনটি তারেক রহমানকে উপহার দিবো ইনশাআল্লাহ।
এনায়েতনগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মিজানুর রহমান প্রধান বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে স্বৈরাচার শেখ হাসিনা তিলে তিলে মারতে চেয়েছে। কিন্তু মারতে পারেনি। তিনি জীবনের শে দিন পর্যন্ত আন্দোলন করে গেছেন গণতন্ত্র রক্ষার জন্য। আমি দাবী জানাবো, এই হত্যার দায়ভার ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে নিতে হবে।
এনায়েতনগর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি আমিনুল ইসলাম লিটন বলেন, দলের নীতিনির্ধারক জনাব তারেক রহমান মুফতি মনির কাসেমী ভাইকে মনোনয়ন দিয়েছে। অনেকেই বিভিন্ন তন্ত্র-মন্ত্র দেখাচ্ছে। আমাদের বিএনপির মাঝে কোনো তন্ত্র-মন্ত্র নাই। দল মুফতি মনির ভাইকে নির্বাচিত করতে বলেছে। আমরা খেজুর গাছে ভোট দিয়ে তাকে নির্বাচিত করবো। এর কোনো বিকল্প নারায়ণগঞ্জে নেই।
এনায়েতনগর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক
জহিরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন,
আমাদের আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজীবন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করেছেন। আমাদের ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে ধানের শীষের পরিবর্তে খেজুর গাছ তুলে দিয়েছেন। আমরা সবাই খেজুর গাছে ভোট দিয়ে তাকে নির্বাচিত করে তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করবো ইনশাআল্লাহ।
ফতুল্লা থানা বিএনপির সহ-সভাপতি শহিদুল্লাহ বলেন, যাকে প্রাধান্য দিয়ে আজকের এই অনুষ্ঠান। জাতীয়তাবাদী দল মনোনীত আমাদের অভিভাবক আমাদেরকে একজন যোগ্য প্রার্থী নির্ধারণ করেছেন। তিনি জুমার নামাজের ইমামতি করেছেন। তিনি সৌদি আরবের রাজ পরিবারে দীর্ঘ বারো বছর ইমামতি করেছেন। ইসলামের যে কোনো বিষয়ে তিনি সমাধান দিতে পারবেন। তিনি একজন যোগ্য নেতা। আজ আমি যদি প্রশ্ন করি মুফতি মনির কাসেমী ভাইর মার্কা কি? একবাক্যে বলতে পারবেন খেজুর গাছ। কিন্তু যারা স্বতন্ত্র দাঁড়িয়েছেন তাদের মার্কা কেউ চিনে না।
ফতুল্লা থানা জাতীয়তাবাদী দলের ১ নং সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক রুহুল আমিন সিকদার, ফতুল্লা থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী, জেলা জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক, মাওলানা ফেরদাউসুর রহমান, ৭, ৮ ৯ এর মহিলা মেম্বার রুজিনা মেম্বার, ফতুল্লা থানার সাবেক সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল, মহিলা দলের নেত্রী রহিমা শরীফ মায়া,
বেগম খালেদা জিয়া ২০১৮ সালে মুফতি মনির কাসেমীকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে আপমাদের মাঝে প্রেরণ।করেছেন। সেই একই ব্যক্তিকে আবার জোটপ্রার্থী করে পাঠিয়েছেন। বারবার তাকে কেনো পাঠাচ্ছেন? যাতে তিনি সংসদ গিয়ে ইসলামের পক্ষে কথা বলতে পারেন। বেগম খালেদা জিয়া যাতে ইসলামের কথা শুনতে পারেন, কুরআনের কথা শুনতে পারেন সেজন্য তিনি আলেমদের সংসদে পাঠিয়েছিলেন। দল যাকে মনোনয়ন দিয়েছে মনোনয়ন প্রত্যাশীরা তার ডানে বামে থেকে তার সাথে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন। নারায়ণগঞ্জ পাঁচটি আসনের মাঝে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে সবচে বেশি ভোট পেয়ে নির্বাচিত হবেন ইনশাআল্লাহ।
এনায়েতনগর ৭, ৮ ও ৯ ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বার রুজিনা বলেন, ২০১৮ সালে মুফতি মনির কাসেমী ভাইর জন্য নির্বাচন করতে গিয়ে যে নির্যাতন সহ্য করেছি তা ভাষায় ব্যক্ত করা যাবে না। সে নির্যাতনে আমার ভাই মারা গেছে। মহিলা হয়ে দুই মাস বাড়িতে থাকতে পারিনি। এটা যে কত কষ্টের তা বলে বুঝানো সম্ভব নয়। তাই মুফতি মনির কাসেমীর প্রতি অনুরোধ করবো, এনায়েতনগর ইউনিয়নে যারা বিএনপি করে তাদের দিকে একটু সুদৃষ্টি দিবেন।
মহিলা দলের নেত্রী রহিমা শরীফ মায়া বলেন, নারায়ণগঞ্জের এই এনায়েতনগর ইউনিয়নের একটি ঐতিহ্য আছে। কেননা নারায়ণগঞ্জ জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী এই ইউনিয়নের। স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এই ইউনিয়নের। নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক ও জেলা যুবদলের বর্তমান বিপ্লবী সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি এই এনায়েতনগর ইউনিয়নের। এই ইউনিয়নের একটি ঐতিহ্য আছে। তাই সেই ঐতিহ্যকে ধারণ করে কোনো ব্যক্তির পেছনে নয়, বরং দলের মনোনীত প্রার্থীকে আমরা বিজয়ী করবো ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, খেজুর গাছ মানেই ধানের শীষ। খেজুর গাছ মানেই খালেদা জিয়া। খেজুর গাছ মানেই তারেক রহমান। আমরা কোনো ব্যক্তির রাজনীতি করি না। দল যাকে মনোনয়ন দিয়েছে আমরা তাকেই নির্বাচিত করবো ইনশাআল্লাহ।
এলাকার সর্বজন শ্রদ্ধেয় মুরুব্বি
জনাব জুলহাস বলেন, আমি একশো পার্সেন্ট নিশ্চিত ছিলাম আমাদের এলাকার সন্তান মশিউর রহমান রনি নমিনেশন পাবে। আমার অনেক ইচ্ছা ছিলো ধানের শীষে সিল মারবো। কিন্তু কোনো অসুবিধা নাই, আমরা ধানের শীষ মনে করেই খেজুর গাছে সিল মারবো ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, আমরা যদি একটু চেষ্টা করি তাহলে এই এনায়েতনগর ইউনিয়নে খেজুর গাছের ভোট ব্যাংক হবে।
ফতুল্লা থানার সাবেক সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল বলেন, জাতী এতিম হয়েছে ৩০ তারিখে। আমরা হারিয়েছি গনতন্ত্রের মাতা বেগম খালেদা জিয়াকে। জাতী আজ শোকে নিমজ্জিত। কিন্তু সেই শোককে শক্তিতে রুপান্তর করে ১২ তারিখ খেজুর গাছ মার্কায় ভোট বিপ্লব করতে হবে। আমরা খেজুর গাছকে ধানের শীষ মনে করে সিল মারবো।
ফতুল্লা থানার সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী বলেন, যারা তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস রাখেন তারা নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের জনগনের সেবা করার জন্য একজনকে আমাদের মাঝে পাঠিয়েছেন। তিনি আমার প্রার্থী। আমাদের প্রার্থী। জিয়া পরিবার আপনাদের আমাদের মাঝে একজনকে খেজুর গাছ দিয়ে আমাদের মাঝে পাঠিয়েছেন। তাই আগামী দিনে খেজুর গাছে ভোট দিয়ে মুফতি মনির কাসেমীকে বিজয়ী করে এ আসন তারেক রহমানকে উপহার দিবো ইনশাআল্লাহ।
ফতুল্লা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আব্দুল বারী ভুঁইয়া বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার একটা প্রত্যাশা ছিলো এদেশে গণতন্ত্র কায়েম করবে। তার এই প্রত্যাশা পূরণে তিনি মুফতি মনির কাসেমীকে আমাদের মাঝে পাঠিয়েছেন।
তিনি বলেন, তারেক রহমানকে যদি প্রধানমন্ত্রী বানাতে চান তাহলে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে মুফতি মনির কাসেমীকে নির্বাচিত করতে হবে।
তিনি বলেন, আমাদের প্রতিটি ভোট মূল্যবান। একজন শিল্পপতির ভোটের যে মূল্য, একজন রিকশাওয়ালার ভোটেরও সে মূল্য। ধানের শীষের খালাতো ভাই খেজুর গাছকে বিজয়ী করবো ইনশাআল্লাহ
জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি বলেন,
যার জন্য এ আয়োজন তিনি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
আমরা তাকে ভালোবাসি। তার কর্মকে আমরা শ্রদ্ধা করি। তার কাজ আমাদেরকে বারবার তার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।
ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা তাকে মারতে চেয়েছিল কিন্তু তিনি তো মরেননি বরং আপোসহীন উপাধি পেয়ে জনগণের হৃদয়ে জায়গা করে আছেন।
তার বিদায়ে আমরা এতিম হয়ে গেছি। বাংলাদেশের মানুষ এতিম হয়ে গেছে। তার জানাজায় শিশু থেকে নিয়ে যুবক, আবাল, বৃদ্ধা-বণিতা সবাই শরীক হয়েছিলো। কারণ তার কর্ম ভালো ছিলো। তার কাজ সবাইকে তার জানাজায় টেনে এনেছিলো।
তিনি ছিলেন ইসলামের প্রতি অনুগত। তিনি সংসদে উলামায়ে কেরামকে ইসলামের পক্ষে কথা বলার সুযোগ করে দিয়েছিলেন। তিনি মৃত্যুর সময়ও আলেমদের পক্ষে ছিলেন। যার কারণে আজ তিনি এ আসনে একজন আলেমকে মনোনয়ন দিয়েছেন। আমরা ব্যক্তিগতভাবে মনোনয়ন নেওয়ার জন্য অনেক কাজ করেছি, কিন্তু দল যাকে মনোনয়ন দিয়েছে আমরা তার পক্ষেই কাজ করবো ইনশাআল্লাহ।
কেননা আমরা সবাই দলের কর্মী। জাতীয়তাবাদী বিএনপি আমাদের প্রাণের দল। এ দলকে ঘিরেই আমাদের সম্মান। এ দলকে ঘিরেই আমাদের সব আয়োজন। আজ মুফতি মনির কাসেমী মনোনয়ন পেয়েছেন মানে মনোনয়ন পেয়েছেন টিটু ভাই, মনোনয়ন পেয়েছে বারী কাকা। মনোনয়ন পেয়েছি আমি। আমরা এতদিন যেসব কাজ করেছি সেই কাজগুলোকে বিফলে যেতে দেওয়া যাবে না।
আমরা খেজুর গাছের মাধ্যমে আমাদের দল মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করবো। আমাদের স্বপ্ন মনির হোসেন কাসেমীর মাধ্যমে বাস্তবায়ন করবো ইনশাআল্লাহ।
আমার নেতা জনাব তারেক রহমান বিশেষভাবে আমাকে বলেছেন, তুমি যদি দলকে ভালোবাসো তাহলে দেশকে ভালবাসতে হবে। আর দেশকে যদি ভালবাসো তাহলে এ মার্কাকে তোমার ভালবাসতে হবে। তাই আমি খেজুর গাছকে ভালবেসে জোটগতভাবে খেজুর গাছের পক্ষে কাজ করবো। আজকে যিনি প্রধান অতিথি হয়ে এসেছেন জোটের প্রার্থী মুফতি মনির হোসাইন কাসেমীকে আমরা এ আসনে বিজয়ী করে আনবো ইনশাআল্লাহ
মুফতি মনির হোসাইন কাসেমীর কাছে আমাদের একটা অনুরোধ, আমরা দীর্ঘ ১৭ বছর অনেক কষ্ট করেছি। এর ব্যাখ্যা যদি দিতে চাই তাহলে যেভাবে ১৭ বছর কষ্ট করেছি সেভাবে ১৭০০ বছরও যদি ব্যাখ্যা দিতে চাই তাহলে শেষ হবে না। কতটা রাত আমরা ঘুমাতে পারিনি। বাপ-মাকে কষ্ট দিয়েছি। মা অসুস্থ হাসপাতালে ভর্তি ছিলো। দেখতে যেতে পারিনি। বড় ভাইকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে পা ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে। ভাগিনার পা ভেঙে দেওয়া হয়েছে। বোন জামাইকে হত্যা করা হয়েছে।
আমরা জানাজায় অংশগ্রহণ করতে পারিনি। আমাদের এই এলাকার পঞ্চায়েত কমিটির যিনি সভাপতি ছিলেন আমার বড় মামা। তিনি ইন্তেকাল করেছেন। তার জানাজায় আমরা অংশ নিতে পারিনি।
তো আমি আপনাকে বলবো। আপনার কাছে এখন অনেকেই আসবে। আপনি সবাইকে নিয়ে চলেন আমাদের আপত্তি নেই। কিন্তু যারা আমাদের নির্যাতন করেছে। যারা আমাদের গুলি করেছে। প্রকাশ্যে গুলি করেছে। ভিডিও ফুটেজ আছে। তাদেরকে যেন আপনার আশেপাশে আমরা না দেখি। আপনি মনে করতে পারেন যে তারা থাকলে আপনার কিছু ভোট আসবে। আমি আপনাকে চ্যালেঞ্জ করে বলে দিতে চাই, তারা থাকলে আমরা যে অর্জনটা করেছি। এই পাঁচ তারিখের পরে আমাদের যে অর্জন সে অর্জনটা বিলীন হয়ে যাবে। তাদের থেকে যে ভোটগুলো আসবে আমাদের থেকে সে ভোটগুলো ডিলেট হয়ে যাবে। মাইনাস হয়ে যাবে।
আমি আপনাকে অনুরোধ করবো। আমরা জানি, আপনি নিজেও জানেন। কেননা আন্দোলন-সংগ্রামে আপনার সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ ছিলো। আপনি আমাদেরকেও সহযোগিতা করেছেন।আন্দোলন-সংগ্রামের ক্ষেত্রে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন। আমি আপনার সঙ্গে জেল খেটেছি। জেলের ভেতরে আপনি কি পরিমান কষ্ট করেছেন। সেটা আমি নিজের চোখে দেখেছি। আমি দুই তিন মাস জেলে ছিলাম আপনার সঙ্গে। আপনি আমাদেরকে অনেক গাইডও করেছেন।
সর্বশেষ একটি বক্তব্য হল,
আমরা আপনাকে পাশ করিয়ে নিয়ে আসবো ইনশাআল্লাহ। যদি আপনার কপালে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপিত্ব থাকে, নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনে যেভাবে আল্লাহ আপনাকে দিয়েছেন। আমার নেতা জনাব তারেক রহমান এবং আমার নেত্রী খালেদা জিয়া যখন আপনাকে মনোনীত করেছেন, ইনশাআল্লাহ যদি আপনার কপালে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপিত্ব থাকে, আপনি এমপি হবেন। এটা গ্যারান্টি সহ বলতে পারি। আপনি এমপি হবেন এবং আমরা আপনাকে এমপি বানিয়ে নিয়ে আসবো ইনশাআল্লাহ।
আমরা যারা জিয়ার আদর্শের সৈনিক, আমরা যারা গত ১৭ টি বছর কাজ করেছি। আমাদের নিজদের কনফিডেন্ট আছে। আমাদের নেতাকর্মীরা শুধু নয়, আমাদের দেখে সাধারণ মানুষও আপনাকে ভোট দিবে।আমাদেরকে দেখে আপনাকে ভোট দিতে ঘরে আসবে।
আর যদি আপনি ওই সন্ত্রাসীদেরকে সাথে রাখেন, তাহলে বলে দিলাম ভোটকেন্দ্রে তারা ভোটকেন্দ্রে যাবে না। তারা মনে করবে আমরা এক শামীম ওসমানকে বিদায় করেছি। আরেক শামীম ওসমানকে নিয়ে এসেছি। আমরা আপনাকে এমবি বানাবো, যদি আপনি এই সন্ত্রাসীদেরকে বিতাড়িত করেন।এ সন্ত্রাসেরা যদি আপনার আশেপাশে না থাকে আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি এই এনায়েতনগর ইউনিয়নে খেজুর গাছের ভোট বিপ্লব হবে।
ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম টিটু বলেন, আমাদের সামনে যেহেতু নির্বাচন। আমরা একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য বহু ত্যাগ, কুরবানি করেছি। আমাদের বহুল প্রতিক্ষিত সেই নির্বাচন আগামী ১২ তারিখ। আমরা নিজেরাও এই আসনে প্রার্থী হয়েছিলাম। কিন্তু ব্যক্তির চেয়ে দল বড়। তাই দলের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত।
যেদিন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে মুফতি মনির কাসেমীকে প্রার্থী ঘোষণা করা হলো সেদিন আমরা সাতটি ইউনিয়নের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক মিলে তাকে বরণ করে নিয়েছিলাম।
২০১৮ সালেও দল থেকে তাকে নির্বাচিত করা হয়েছিলো। তার মার্কা ছিলো খেজুর গাছ। এবার নির্বাচন কমিশনের কিছু আইনি জটিলতার কারণে তিনি ধানের শীষ পাননি। কিন্তু আমাদের এ নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে খেজুর গাছই ধানের শীষ।
যারা স্বতন্ত্র নির্বাচন করছেন তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, তারেক রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি সম্মান রেখে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াবেন বলে আমি মনে করি।




















