নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানাস্থ দক্ষিণ লক্ষনখোলার বাসিন্দা আশাবুদ্দিন এর মেয়ে বন্দরের শিষ্য মাদক সম্রাজ্ঞী বহু অসহায় নারীর সর্বনাশকারী, নারী পাচারকারী,মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে খ্যাত আইরিন সুলতানা ওরফে সাথী তার স্বামী মৃত ইব্রাহিম এর পুত্র মোহাম্মদ ফারুক, আশাবুদ্দিনের স্ত্রী নুরবানু, পুত্র মোহাম্মদ রাকিব ও রজু কৃত মামলার ১ নং বিবাদী পাতাকাটার মৃত নুরু মিয়ার পুত্র আব্দুল হক সম্মিলিত ভাবে শিশু ও নারী নির্যাতন এর মামলা কে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জ এর প্রখ্যাত সংখ্যালঘু প্রবীণ সাংবাদিক এর পরিবার এর সদস্য দের খুন, গুম, অপহরণ ও সাজানো মিথ্যা মামলা দায়ের ও বাড়িঘর লুটপাটের লক্ষ্যে নিজেরা ও ভাড়া করা সন্ত্রাসী দের মাধ্যমে একের পর এক অপ্রীতিকর ঘটনা অব্যহত রাখিয়াছে এমনকি রাস্তাঘাটে চলাচলে নিজেদের অপরাধ প্রকাশ পাওয়ায় মামলাজনিত কারনে সংখ্যালঘু প্রবীণ সাংবাদিক এর পরিবারের মানহানি সহ হিংস্র ভাবে অপতৎপরতা চালাইতেছে এবং দায়েরকৃত মামলার প্রত্যাহার করার লক্ষ্যে সন্ত্রাসী কর্তৃক হুমকি-ধামকি, গুম, নারী সদস্য সহ পরিবার এর শিশুদের অপহরণ এর কূটকৌশল অব্যাহত রাখিয়াছে। উল্লেখ্য যে, আইরিন সুলতানা ওরফে সাথী ও তার পরিবারের সদস্যরা বন্দরের শিষ্য মাদক ব্যবসায়ী ও অপরাধচক্রের হোতা মাদক ডিলার ও টেকনাফ-কক্সবাজারাস্থ মাদক ব্যবসায়ী দের সাথে সক্ষতা গড়ে ভিন্ন ভিন্ন কৌশলে পরিবারের সদস্যদের সকলকে নিয়ে বেড়ানোর নাম করে দফায় দফায় মাদক দ্রব্য আনয়নকরত সারা জেলায় নিয়োগকৃত মাদক বিক্রেতাদের মাধ্যমে মাদকদ্রব্য বিক্রি করে যুব সমাজকে ধ্বংস করার পাশাপাশি অনৈতিক অর্থ কামাই করে নিজেরা ফুলে-ফেপে উঠেছে। কিন্তু কাকতালীয় ভাবে হলেও সত্য যে, ঘৃণ্য অপরাধ করেও অপরাধী রা ধরা ছোয়ার বাইরে। এলাকা সূত্রে প্রকাশ নাম প্রকাশে অনিচ্ছাকৃত লোকজন বলেন, অবৈধ ভাবে রোজগার কৃত অর্থের বাহাদুরি তে এই পরিবারটি ধারাবাহিক ভাবে অপরাধ কর্ম পরিচালনা করলেও তাদের ভয়ে কেও মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না। এলাকা সূত্রে প্রকাশ অর্থাভাবী দরিদ্র অসহায় তরুণী ও মহিলা দের দুর্বলতার সুযোগে আর্থিক সহায়তার নামে বহিরাগত পুরুষদের বাড়িতে এনে অসহায় তরুণী ও মহিলা দের অর্থের প্রলোভনের ফাঁদে ফেলে বেশ্যা বৃত্তি করতে বাধ্য করছে। এমনকি অসাধু এন জি ও কর্মী দের সহিত সক্ষতা গড়ে টাকা নিয়ে চওড়া সুদে দরিদ্র ও বিপদগ্রস্ত মানুষদের কে টাকা দিয়ে হয়রানিসহ এ যাবত কাল পর্যন্ত সুদের টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় অনেক অসহায় পরিবার সর্বশান্ত হয়েছে। এলাকাসূত্রে আরো প্রকাশ আইরিন সুলতানা সাথী ও মা নুরবানু অসামাজিক কর্মকান্ডের পাশাপাশি নিজের বাড়ির মেয়েদের কাবিন ব্যবসা করার লক্ষ্যে বিয়ের নামে প্রতারণা করে বহু পুরুষ দের কেও সর্বশান্ত করেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রতিবেশী রা জানান, জনৈক সাথী তার নিজের জীবনের ঘটনার মতো করে তার অন্যান্য বোন দের প্রত্যেক কে মা মেয়ে বাপ জোট বেধে কাবিন ব্যবসার লক্ষ্যে তিন চার টি করে বিয়ে দিয়ে বিয়ের কিছু দিন পার হতে না হতেই নানারকম অশান্তি সৃষ্টি করে মামলা হামলার ভয় দেখিয়ে পাত্রপক্ষের কাছ থেকে কাবিন কৃত টাকা আদায় করে অন্যত্র আবার নিরীহ পরিবারের সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপন করে একের পর এক অপরাধ অব্যাহত রাখিয়াছে। জানা যায়, জনৈক সাথী আপন জমজ দুই বোনের এ পর্যন্ত চারটি করে বিয়ে দেয়। ছোটো বোনের অলিখিত বিয়ে ব্যাতিত দুইটি বিয়ে। তার স্বামীর পূর্ব স্ত্রীর কন্যা কে অর্থ লোভে আগের সংসার ভেঙে তালাক দিয়ে বর্তমানে সোনারগাঁও থানাস্থ কাফুর্দি এলাকার এক সম্ভ্রান্ত পরিবারের নিরীহ ছেলের বর্তমানে প্রবাসে অবস্থানরত তার কাছে বিয়ে দিলেও উক্ত সৎ মেয়েকে তার বাড়িতে এনে অনৈতিক কর্মকান্ডে ব্যবহার করে থাকে। এছাড়াও গত আনুমানিক পাঁচ বছর পূর্বে সিলেট জেলাস্থ বিশ্বনাথ এলাকার এক দরিদ্র ইট ভাটার শ্রমিকের পিতৃহীন ১৩ বছরের কিশোরী কন্যাকে আশাবুদ্দিনের পুত্র জনৈক সাথীর ভাই রাকিবের বউ পরিচয়ে তাদের বাড়িতে রাখিয়া বেশ্যা বৃত্তি করানোর অভিযোগ ও রয়েছে। এমনকি উল্লেখিত কিশোরীর তাদের নির্যাতন অনৈতিক কর্মকান্ডে অতিষ্ঠ হয়ে আদৌ নিখোঁজ। এলাকা থেকে আরো জানা যায় রাকিব একজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী, ডাকাত, চোর, ছিনতাইকারী তিন বার জেল ফেরত ব্যাক্তি। তার যন্ত্রণায় প্রতিবেশী রা সর্বসময় আতঙ্কগ্রস্ত। সচেতন মহল উল্লেখিত পরিবারের বিষয় টি সর্বস্তরের আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা সহ যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে জোর আবেদন করছে।




















