জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত ও জামায়াত জোট–সমর্থিত প্রার্থী আবদুল্লাহ আল আমিন বলেছেন, ভোট একটি পবিত্র আমানত। এই ভোটের মাধ্যমেই দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে। তাই এমন কাউকে ভোট দেওয়া উচিত নয়, যাকে নির্বাচিত করলে সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজরা আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে।
সোমবার নারায়ণগঞ্জের কুতুবপুর, ফতুল্লা ও এনায়েতনগর এলাকায় দিনভর গণসংযোগ শেষে আয়োজিত পথসভায় এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় তিনি কুতুবপুরের শিবু মার্কেট, কাঠেরপুল, রামারবাগ, লালখা ও হাজীবাড়ি এবং ফতুল্লার পিলকুনি পাঁচতলা, স্টেশন রোড ও সাহারা সিটি এলাকায় ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। পরে এনায়েতনগরে একটি উঠান বৈঠকেও অংশ নেন তিনি।
আল আমিন বলেন, এখন আর কেউ জোর করে ভোট কেড়ে নিতে পারবে না। সেই সময় পেরিয়ে গেছে। ভোটাররা এখন ভালো-মন্দ বিবেচনা করেই ভোট দেবেন। তিনি বলেন, একটি ভোটই আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়ার ভিত্তি তৈরি করবে।
গত ১৫ বছরের দুঃশাসনের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সেই অত্যাচার থেকে মুক্তি পেতেই জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানুষ রাজপথে নেমেছিল। কিন্তু ৫ আগস্টের পর আবারও একটি গোষ্ঠী নতুন করে সন্ত্রাস, ভূমিদস্যুতা, চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েছে। এসব অপকর্ম রাজনৈতিক আশ্রয় ছাড়া সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আল আমিন আরও বলেন, এসব অপকর্মের পৃষ্ঠপোষকদের রাজনীতি থেকে উৎখাত করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই আগের মতো অত্যাচারের রাজনীতি নারায়ণগঞ্জে চলতে দেওয়া হবে না। তিনি একটি ‘পজিটিভ নারায়ণগঞ্জ’ গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
ভোটের দিন নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করে তিনি বলেন, সবাইকে সকাল সকাল ভোটকেন্দ্রে যেতে হবে। কেউ যদি ভোটকেন্দ্রে প্রভাব বিস্তার বা কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করে, জনগণই তা প্রতিহত করবে। মানুষ জুলাইয়ে প্রতিরোধ করতে শিখেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
শেষে তিনি ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, যোগ্য ও সৎ ব্যক্তিকে ভোট দিন। যারা সমাজে অত্যাচার চালায় বা তাদের আশ্রয়দাতাদের ভোট দেবেন না। ভালো মানুষকে নির্বাচিত করলে পরে তার কাছ থেকে কাজের হিসাবও চাওয়া যাবে—তিনি কী উন্নয়ন করেছেন, এলাকার সমস্যা সমাধান করেছেন কি না, সবকিছুর জবাবদিহি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।



















