ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি আসনে প্রার্থীদের অনলাইন প্রচারণা এখন তুঙ্গে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভিডিও ও পোস্ট বুস্ট করে ভোটারদের কাছে পৌঁছাতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ ব্যয় করছেন তারা।
ফেসবুকের এড লাইব্রেরি থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত প্রায় এক মাসে (৮ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি) বিভিন্ন প্রার্থী কয়েক শত ডলার ব্যয়ে প্রচারণা চালিয়েছেন।
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে জামায়াত–এনসিপি জোট সমর্থিত খেলাফত মজলিসের প্রার্থী এবিএম সিরাজুল মামুন ৩৮টি কন্টেন্ট প্রচারে ব্যয় করেছেন প্রায় ৭২০ ডলার। একই আসনে গণসংহতি আন্দোলনের প্রার্থী তরিকুল সুজন ৪২টি কন্টেন্টে খরচ করেছেন ১৫৩ ডলার।
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী মোহাম্মদ আলী ৪০টি কন্টেন্টে প্রায় ৯২০ ডলার ব্যয় করেছেন। বিএনপি সমর্থিত জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের প্রার্থী মনির হোসাইন কাসেমী ৭টি কন্টেন্টে ২২০ ডলার এবং এনসিপির প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল আমিন ২৫টি কন্টেন্টে ১৬৬ ডলার ব্যয় করেছেন।
নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নান ৫৯টি কন্টেন্টে ৪৯১ ডলার ব্যয় করেছেন। একই আসনে জামায়াতের প্রার্থী ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া ৩২টি কন্টেন্টে ২৪৬ ডলার খরচ করেছেন।
নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির নজরুল ইসলাম আজাদ ৫টি কন্টেন্টে ১০০ ডলারের কম ব্যয় করেছেন। একই আসনে জামায়াতের ইলিয়াস মোল্লাও ৩টি কন্টেন্টে ১০০ ডলারের কম খরচ করেছেন।
নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু ১৮টি কন্টেন্ট প্রচারে ২৮৯ ডলার ব্যয় করেছেন।
ফেসবুকে প্রচারিত এসব কন্টেন্টে প্রার্থীদের বক্তব্য, নির্বাচনী অঙ্গীকার ও বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরে ভোটারদের সমর্থন চাওয়া হচ্ছে। মিছিল-মিটিংয়ের পাশাপাশি পোস্ট বুস্ট ও ভিডিও বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে সরাসরি ভোটারদের মোবাইল স্ক্রিনে পৌঁছাচ্ছে এই প্রচারণা।
নির্বাচনী বিধিমালা অনুযায়ী, অনলাইন প্রচারণায় ব্যয় করা অর্থও নির্বাচনী ব্যয়ের অংশ হিসেবে গণ্য হওয়ার কথা। নির্ধারিত ব্যয়সীমা অতিক্রম বা সঠিক হিসাব দাখিলে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের আইনগত জটিলতায় পড়তে হতে পারে।




















