ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর আওয়ামীলীগের দোসররা ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন। সম্প্রতি সিদ্ধিরগঞ্জের হিরাঝিল এলাকার সমাজ কল্যান কমিটির ব্যানারে আয়োজিত ইফতার মাহফিলকে ঘিরে থানা পুলিশকে দিয়ে ইফতার মাহফিল বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে নিজের অবস্থান ব্যক্ত করতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, হিরাঝিল সমাজ কল্যান কমিটির ইফতার মাহফিল বন্ধ করতে কে বা কারা থানায় অভিযোগ করেছে সে বিষয়টি আমার জানা নেই। আর ওই দিন আমি এলাকায়ও ছিলাম না। অথচ ষড়যন্ত্রকারী কোন যাচাই-বাছাই ছাড়াই, এমনকি কোন খোজ খবর না নিয়েই আমার বিরুদ্ধে অপ-প্রচার চালিয়েছে। অপ-প্রচারকারীরা গুজব ছড়িয়েছে যে, আমার কোন ভাতিজা মিজানকে দিয়ে নাকি আমি থানায় অভিযোগ করিয়েছি। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, মিজান নামে আমার কোন ভাতিজা নাই। আজ রবিবার জাতীয়, স্থানীয় এবং অনলাইন গনমাধ্যমে আমাকে জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার চালানো হয়েছে। সংবাদটি আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে। আমি এই বিভ্রান্তিকর অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
তিনি বলেন, বিএনপির রাজনীতি করতে গিয়ে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার সরকারের ১৭ বছর বাড়ী-ঘরে থাকতে পারি নাই। অসংখ্য মামলা, হামলার শিকার হয়েছি। অত্যন্ত দূর্বিসহ জীবন-যাপন করেছি। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালীন ২১ জুলাই আমাকে না পেয়ে আমার নিরপরাদ দুই ইঞ্জিনিয়ার ছেলেকে বাসা থেকে মারতে মারতে পুলিশ ধরে নিয়ে যায়। তাদেরকে সহ আমাকে মামলা দেওয়া হয়। ৫ আগষ্টে যখন শেখ হাসিনা ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায় তখন তার সাঙ্গ-পাঙ্গরাও দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়। আমরা আমাদের বাড়ি-ঘরে ফেরার সুযোগ পাই। ১২ ফেব্রুয়ারী একটি অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসীন হয়। তখন আওয়ামীলীগের দোসররা নব্য বিএনপির শেল্টারে সংঘঠিত হয়ে আমাদেরকে নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। আমি প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে আহ্বান করছি এই ঘটনাটি নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করে যেন ব্যবস্থা নেয়া হয়।



















