পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম-উলামাদের সম্মানে আয়োজিত প্রধানমন্ত্রীর ইফতার মাহফিলে অংশগ্রহণ করেছেন বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ ও আলেম মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মুকাররমের খতিব মুফতি আব্দুল মালেক, ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, জমিয়তের সহ-সভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, মহাসচিব মাওলানা মুঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী, নানুপুর মাদরাসার মহাপরিচালক মাওলানা সালাহউদ্দিন প্রমূখ।
শনিবার (৭ মার্চ ২০২৬ ঈ.) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ‘যমুনায়’ এ ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়। ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ এই আয়োজনে এছাড়াও দেশের বিভিন্ন মাদরাসার শায়খুল হাদিস, মুফতি, মুহাদ্দিস ও ইসলামী ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত ছিলেন।
রমজানের পবিত্রতা ও সৌহার্দ্যের বার্তা ছড়িয়ে দিতে প্রধানমন্ত্রীর এই ইফতার মাহফিলকে আলেম-উলামাদের সাথে সরকারের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হয়। অনুষ্ঠানে আগত আলেমগণ দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া করেন।
এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী বলেন, রমজান মাস মুসলমানদের জন্য আত্মশুদ্ধি, সংযম ও ভ্রাতৃত্বের শিক্ষা নিয়ে আসে। এ মাসে ইফতার মাহফিল শুধু খাবারের আয়োজন নয়, বরং এটি পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ঐক্যের এক অনন্য উপলক্ষ। তিনি দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি এবং মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের জন্য আল্লাহ তাআলার দরবারে দোয়া করেন।
ইফতার মাহফিলে উপস্থিত আলেম-উলামারা কোরআন-সুন্নাহর আলোকে সমাজ গঠনের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং ইসলামের শান্তি ও মানবতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, রাষ্ট্র ও আলেম সমাজের পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে দেশের নৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন আরও বেগবান হবে।
ইফতারের পূর্ব মুহূর্তে দেশ, জাতি এবং সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি, অগ্রগতি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মুনাজাত পরিচালনা করেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মুকাররমের খতিব মুফতি আব্দুল মালেক।
রমজানের পবিত্র আবহে আয়োজিত এই ইফতার মাহফিল আলেম-উলামাদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করেছে বলে উপস্থিত ব্যক্তিরা মনে করেন।



















