নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে প্রশাসন। অভিযানে একটি স্টেশন বন্ধ পাওয়া গেলেও অন্য কয়েকটি স্টেশনে নিয়ম অনুযায়ী জ্বালানি বিক্রি করতে দেখা গেছে। তবে অধিকাংশ স্টেশনেই অকটেনের মজুদ প্রায় নেই বলে জানা গেছে।
রোববার (৮ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে সোনাখালী ও কাঁচপুর এলাকায় এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন কাঁচপুর রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফাইরুজ তাসনিম।
অভিযান চলাকালে কাঁচপুর এলাকায় একটি ফিলিং স্টেশন বন্ধ পাওয়া যায়। পরে সোনাখালী এলাকার মেসার্স আবাদী ফিলিং স্টেশন এবং কাঁচপুরের এস ইন্টারন্যাশনাল ফিলিং স্টেশন পরিদর্শন করা হয়। এ সময় দেখা যায়, স্টেশনগুলো নির্ধারিত সীমার মধ্যেই জ্বালানি বিক্রি করছে এবং তাদের স্টক রেজিস্টারও যাচাই করা হয়।
পরিদর্শনের সময় আবাদী ফিলিং স্টেশনে অকটেন সরবরাহ বন্ধ থাকার বিষয়টি ধরা পড়ে। এ বিষয়ে কাগজপত্র যাচাই করে নির্ধারিত নিয়ম মেনে জ্বালানি বিক্রির নির্দেশনা দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। অন্যদিকে এস ইন্টারন্যাশনাল ফিলিং স্টেশনকে ক্রেতাদের যথাযথভাবে বিক্রয় রশিদ প্রদান করতে দেখা যায়।
মোবাইল কোর্ট থেকে সরকার প্রদত্ত নির্দেশনা অনুযায়ী তেল মজুদ ও বিক্রির বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাইরুজ তাসনিম জানান, জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং কোনো ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।



















