নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেছেন, সময়ের সঙ্গে ঈদের আনন্দের ধরন বদলালেও অনুভূতি একই থাকে। একসময় তিনি সালামি নিতেন, আর এখন সালামি দেওয়ার আনন্দই বেশি উপভোগ করেন।
প্রেস নারায়ণগঞ্জের ‘বিশেষ আয়োজন’ ঈদ আড্ডায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন, আগে ঈদে ঘরে ঘরে উচ্চস্বরে গান বাজানো নিয়ে আলাদা উচ্ছ্বাস থাকত। কে কত জোরে গান বাজাবে, সেটাও ছিল আনন্দের অংশ। এখন দায়িত্ব বেড়েছে, সময় বদলেছে, তবে ঈদের আনন্দ এখনো একই রকম অনুভূত হয়। তিনি জানান, ইতোমধ্যে ব্যাংক থেকে নতুন টাকা তুলে রেখেছেন, যাতে ঈদের দিনে নতুন নোট দিয়ে সালামি দিতে পারেন।
ঈদ উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, বয়সের সঙ্গে আনন্দ করার ধরনও পরিবর্তিত হয়। এখন তিনি পরিবার-পরিজন ও কাছের মানুষদের সঙ্গে সময় কাটানো, দাওয়াত দেওয়া কিংবা কোথাও ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনাকেই বেশি গুরুত্ব দেন।
ছোটবেলার স্মৃতিচারণ করে মামুন মাহমুদ বলেন, ঈদে পাওয়া টাকাগুলো হারিয়ে ফেলার ভয় ছিল সবসময়। অনেক সময় দেখা যেত, সারাদিন পকেটে রাখার পর রাতে টাকা হারিয়ে গেছে—এ নিয়ে কান্নাকাটি হতো। তাই মা-বাবারা টাকাগুলো নিজেদের কাছে রেখে দিতেন, যা নিয়ে শিশুদের মনে এক ধরনের আক্ষেপ কাজ করত। নিজের টাকার ওপর স্বাধীনতা না থাকার বিষয়টিও শিশুদের মনে প্রভাব ফেলত বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এছাড়া তিনি বলেন, নাগরদোলা তার শৈশবের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। শুধু ছোটবেলাতেই নয়, এখনও সুযোগ পেলে নাগরদোলায় চড়তে ইচ্ছা করে। সোনারগাঁয়ের লোকশিল্প মেলাসহ বিভিন্ন স্থানে এই অভিজ্ঞতা তাকে আনন্দ দেয়। তার মতে, নাগরদোলা আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।



















