স্টাফ রিপোর্টার | নারায়ণগঞ্জ
কাশীপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় উঠে আসছেন জনাব মোঃ সোহেল মাহমুদ। স্থানীয়দের মতে, তিনি ধীরে ধীরে কাশীপুরবাসীর “বিশ্বাসের জায়গা” হয়ে উঠছেন।
রাজনৈতিক অঙ্গনে তার রয়েছে সুস্পষ্ট পরিচিতি। তিনি কেন্দ্রীয় জিসাসের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, নারায়ণগঞ্জ পৌর জিসাসের সাবেক সভাপতি এবং বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ মহানগর জিসাসের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে তিনি সংগঠনকে শক্তিশালী করতে কাজ করে যাচ্ছেন।
এছাড়াও তিনি একজন প্রচারবিমুখ মানুষ হিসেবে পরিচিত। নিজের কাজকে প্রচারের চেয়ে মানুষের উপকারেই বেশি গুরুত্ব দেন—এমনটাই বলছেন স্থানীয়রা।
দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এলাকায় নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন সোহেল মাহমুদ। বিশেষ করে তরুণদের কাছে তিনি একজন আস্থার প্রতীক হিসেবে পরিচিত। স্থানীয় যুবকদের দাবি, তিনি তাদের মনের ভাষা বোঝেন এবং সবসময় তাদের পাশে থাকেন।
রাজনীতির পাশাপাশি একজন দানশীল ব্যক্তি হিসেবেও এলাকায় তার সুনাম রয়েছে। যদিও তার অনেক সহায়তামূলক কার্যক্রম প্রচারের আলোচনায় আসে না, তবুও শিক্ষা, চিকিৎসা ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মতো কাজের জন্য তিনি এলাকাবাসীর কাছে পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, সোহেল মাহমুদের এই ধারাবাহিক সামাজিক অবদান, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও প্রচারবিমুখ স্বভাবের কারণে কাশীপুরবাসীর একটি বড় অংশ তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে আগ্রহী।
আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে ইতোমধ্যেই মাঠে সক্রিয় রয়েছেন তিনি। সবমিলিয়ে, কাশীপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে শক্ত অবস্থান তৈরি করছেন এই তরুণমুখী, জনসম্পৃক্ত ও নীরবে কাজ করে যাওয়া প্রার্থী।

বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ এপ্রিল ২০২৬
স্টাফ রিপোর্টার | নারায়ণগঞ্জ
কাশীপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় উঠে আসছেন জনাব মোঃ সোহেল মাহমুদ। স্থানীয়দের মতে, তিনি ধীরে ধীরে কাশীপুরবাসীর “বিশ্বাসের জায়গা” হয়ে উঠছেন।
রাজনৈতিক অঙ্গনে তার রয়েছে সুস্পষ্ট পরিচিতি। তিনি কেন্দ্রীয় জিসাসের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, নারায়ণগঞ্জ পৌর জিসাসের সাবেক সভাপতি এবং বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ মহানগর জিসাসের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে তিনি সংগঠনকে শক্তিশালী করতে কাজ করে যাচ্ছেন।
এছাড়াও তিনি একজন প্রচারবিমুখ মানুষ হিসেবে পরিচিত। নিজের কাজকে প্রচারের চেয়ে মানুষের উপকারেই বেশি গুরুত্ব দেন—এমনটাই বলছেন স্থানীয়রা।
দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এলাকায় নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন সোহেল মাহমুদ। বিশেষ করে তরুণদের কাছে তিনি একজন আস্থার প্রতীক হিসেবে পরিচিত। স্থানীয় যুবকদের দাবি, তিনি তাদের মনের ভাষা বোঝেন এবং সবসময় তাদের পাশে থাকেন।
রাজনীতির পাশাপাশি একজন দানশীল ব্যক্তি হিসেবেও এলাকায় তার সুনাম রয়েছে। যদিও তার অনেক সহায়তামূলক কার্যক্রম প্রচারের আলোচনায় আসে না, তবুও শিক্ষা, চিকিৎসা ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মতো কাজের জন্য তিনি এলাকাবাসীর কাছে পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, সোহেল মাহমুদের এই ধারাবাহিক সামাজিক অবদান, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও প্রচারবিমুখ স্বভাবের কারণে কাশীপুরবাসীর একটি বড় অংশ তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে আগ্রহী।
আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে ইতোমধ্যেই মাঠে সক্রিয় রয়েছেন তিনি। সবমিলিয়ে, কাশীপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে শক্ত অবস্থান তৈরি করছেন এই তরুণমুখী, জনসম্পৃক্ত ও নীরবে কাজ করে যাওয়া প্রার্থী।

আপনার মতামত লিখুন